পুঁজিবাদী উন্নয়নের ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতি

Prabhat Patnaik
দারিদ্র্য থেকে উত্তরণের সর্বজনীন মন্ত্র একটাই: পুঁজিকে প্রলুব্ধ করো, তাহলেই সে এসে উন্নয়নের ভার কাঁধে নেবে। কিন্তু এই ধারণার পেছনে যেমন কোনো দৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই, তেমনি ইতিহাসের পাঠও এখানে গভীরভাবে বিকৃত। যদি মেশিনের প্রবর্তন কেবল এককালীন একটি ঘটনা হতো, তবে নতুন প্রযুক্তির ধাক্কায় যে প্রাথমিক বেকারত্ব তৈরি হয়, তা হয়তো মূলধনী সঞ্চয়ের প্রবল গতি বজায় থাকলে সময়ের সঙ্গে কাটিয়ে ওঠা যেত, এমনকি অতিক্রমও করা যেত।
পিপলস ডেমোক্রেসি ২২-২৮ জুন ২০২৬
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ব্রিটেনে শিল্পপুঁজিবাদের বিস্তার ঘটতে থাকলে নতুন যন্ত্রে তৈরি পণ্য, বহু কারিগরের জীবিকাকে সংকটে ফেলে, আর সেই অভিঘাত থেকেই জন্ম নেয় লুডাইট১ আন্দোলন। বেকারত্বের চাপ বাড়তে থাকে, আর তার সঙ্গে দারিদ্র্যের ছায়াও ঘনিয়ে আসে; এরিক হবসবম ও আর. এম. হার্টওয়েলের বিতর্কের পটভূমিতে এই বাস্তবতারই প্রতিধ্বনি শোনা যায়। তবে ঊনবিংশ শতাব্দীর গতিপথে ছবিটা বদলাতে শুরু করে: চরম দারিদ্র্যে নিমজ্জিত মানুষের অনুপাত আর বাড়তে থাকে না, বরং ধীরে ধীরে কমে আসে; একইভাবে বেকার শ্রমিকের সংখ্যাও একসময় কমতির দিকে ঝোঁকে।
ব্রিটেনের এই অভিজ্ঞতাকে প্রায়শই পুঁজিবাদের এক স্বাভাবিক গন্তব্য হিসেবে হাজির করা হয়। যুক্তিটি এমন—প্রথমে পুঁজিবাদ দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বাড়ায় বটে, কিন্তু পরিণামে সেগুলিকেই হ্রাস করে এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নত করে। এমনকি আয়-বৈষম্য যদি বেড়েও যায়, তবু নাকি শেষপর্যন্ত সমাজের সামগ্রিক বস্তুগত অবস্থা উন্নতির দিকেই যায়। এই বিশ্বাস এতটাই প্রভাবশালী যে আজও যেখানে বেকারত্ব প্রবল, যেখানে দারিদ্র্য গভীর, সেখানে প্রায় অবধারিত পরামর্শ হিসেবে উঠে আসে—পুঁজিকে আহ্বান করো, বিনিয়োগ টানো, ছাড় দাও, সুবিধা দাও; তাহলেই উন্নয়ন আসবে। যেন দারিদ্র্য থেকে উত্তরণের সর্বজনীন মন্ত্র একটাই: পুঁজিকে প্রলুব্ধ করো, তাহলেই সে এসে উন্নয়নের ভার কাঁধে নেবে।
কিন্তু এই ধারণার পেছনে যেমন কোনো দৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই, তেমনি ইতিহাসের পাঠও এখানে গভীরভাবে বিকৃত। যদি মেশিনের প্রবর্তন কেবল এককালীন একটি ঘটনা হতো, তবে নতুন প্রযুক্তির ধাক্কায় যে প্রাথমিক বেকারত্ব তৈরি হয়, তা হয়তো মূলধনী সঞ্চয়ের প্রবল গতি বজায় থাকলে সময়ের সঙ্গে কাটিয়ে ওঠা যেত, এমনকি অতিক্রমও করা যেত।

পাদটীকা:
১ লুডাইট আন্দোলন (Luddite movement) ছিল ১৯ শতকের গোড়ার দিকে (১৮১১-১৮১৬) ইংল্যান্ডের বস্ত্রশিল্পের কারিগরদের একটি প্রতিবাদী আন্দোলন। শিল্প বিপ্লবের সময় নতুন স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি তাদের জীবিকা ও কাজের পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ালে, শ্রমিকরা দলবদ্ধভাবে কারখানা ও যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করে প্রতিবাদ জানায়। ১৮১১ সালের শেষের দিকে ইংল্যান্ডের নটিংহামে শুরু হয়ে এই আন্দোলন ইয়র্কশায়ার, ল্যাঙ্কাশায়ার ও ডার্বিশায়ারের মতো শিল্পাঞ্চলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকরা গোপনে একত্রিত হয়ে রাতের অন্ধকারে টেক্সটাইল মিলে প্রবেশ করে যন্ত্র ভেঙে ফেলতেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্রিটিশ সরকার 'ফ্রেমে ব্রেকিং অ্যাক্ট' (Frame Breaking Act) নামক কঠোর আইন পাস করে, যার মাধ্যমে মেশিন ভাঙায় জড়িত অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হতো। সরকার কঠোর হাতে আন্দোলন দমন করে এবং বহু লুডাইটকে কারাবন্দী বা অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসিত করা হয়।

কিন্তু শিল্পপুঁজিবাদ তো কোনো স্থির অবস্থা নয়; তার স্বভাবই হলো ক্রমাগত process innovation এবং product innovation—অর্থাৎ উৎপাদন-পদ্ধতি ও পণ্যের অবিরাম রূপান্তর। এই অবিরাম রূপান্তরের ভেতর শ্রমের স্থানচ্যুতি একবার নয়, বারবার ঘটে। ফলে পুঁজিবাদ-সৃষ্ট বেকারত্ব, কোনও অনিবার্য ঐতিহাসিক মুহূর্তে এসে মিলিয়ে যাবে—এমন বিশ্বাসের পক্ষে কোনো তাত্ত্বিক বাধ্যবাধকতা নেই।
ঐতিহাসিক বিচারে ব্রিটেনে প্রাথমিক বেকারত্বের যে চাপ একসময় কিছুটা লঘু হয়েছিল, তার সঙ্গেও পুঁজিবাদের কোনো অন্তর্নিহিত কল্যাণপ্রবণতার সম্পর্ক ছিল না। ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব হয়েছিল তিনটি স্বতন্ত্র ঐতিহাসিক কারণে। প্রথমত, ব্রিটেন ও ইউরোপের অন্যান্য অংশ থেকে শ্বেতাঙ্গ বসতির নাতিশীতোষ্ণ উপনিবেশগুলিতে—কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা—বিপুল জন-অভিবাসন ঘটেছিল। এই অভিবাসনের ফলে কেবল জনসংখ্যার একটি অংশই সরে যায়নি; সরে গিয়েছিল উদ্বৃত্ত শ্রমও, যা ব্রিটেনের অভ্যন্তরে শ্রমবাজারের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করেছিল। দ্বিতীয়ত, বিজয়-উপনিবেশগুলিতে, বিশেষত ভারতের মতো অঞ্চলে, যন্ত্রনির্মিত পণ্যের রপ্তানি স্থানীয় প্রাক-পুঁজিবাদী উৎপাদকদের ধ্বংস করতে করতে এক ধরনের বি-শিল্পায়ন (de-industrialization) ঘটায়। অর্থাৎ ব্রিটেনের ভেতরে যে উৎপাদন আর বাড়তি বেকারত্ব সৃষ্টি না করেই বিস্তৃত হতে পারত, তা ঔপনিবেশিক বাজারের দখলদারির মাধ্যমে আরও প্রসার লাভ করে। তৃতীয়ত, মেশিন নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায় নিজেই ছিল যথেষ্ট labour-intensive; ফলে নতুন প্রযুক্তি কিছু জীবন্ত শ্রমকে স্থানচ্যুত করলেও, machinery production-এর ক্ষেত্রে আবার নতুন শ্রম-শোষণের সুযোগও তৈরি করত।
কিন্তু এই তিনটি কারণের কোনোটিকেই পুঁজিবাদের স্থায়ী স্বভাব হিসেবে চিহ্নিত করা চলে না। প্রথম দুটি সরাসরি উপনিবেশবাদের সঙ্গে জড়িত; তৃতীয়টি প্রযুক্তিগত বিকাশের একটি ঐতিহাসিক বিশেষত্ব, কোনো চিরন্তন নিয়ম নয়। অতএব ইউরোপীয় অভিজ্ঞতা থেকে এই উপসংহার টানা যুক্তিযুক্ত নয় যে পুঁজিবাদ, পরিবর্তনকালে যতই টানাপোড়েন তৈরি করুক না কেন, শেষপর্যন্ত সকলের বস্তুগত জীবনের উন্নতি ঘটাবেই। ইউরোপে যা ঘটেছিল, তা নির্দিষ্ট সময়, নির্দিষ্ট সাম্রাজ্যিক প্রেক্ষাপট, এবং বৈশ্বিক অসম সম্পর্কের একটি ফল; তাকে সর্বজনীন সত্য হিসেবে গ্রহণ করা ইতিহাসের জটিলতাকে মুছে ফেলা ছাড়া আর কিছু নয়।

আসলে আরও এগিয়ে বলা যায়—সমকালীন পুঁজিবাদ, বিশেষত neoliberal capitalism, এখন ‘উন্নয়ন’-এর এজেন্ডার সঙ্গেই ক্রমশ বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক দশকগুলিতে বিশ্ব জিডিপি-র প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়েছে, labour productivity-এর বৃদ্ধিও কমেছে; ফলে employment growth-এর পরিসর সীমিত হয়ে এসেছে। অন্যদিকে labour force-এর প্রসার থেমে থাকেনি। ফলে reserve army of labour-এর আপেক্ষিক আকার বৃদ্ধি পাওয়াই স্বাভাবিক। সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতিকে যদি একটি সমন্বিত একক হিসেবে দেখা হয়, তবে স্পষ্ট হয় যে নব্য-উদারপন্থী পুঁজিবাদের অধীনে unemployment হ্রাসের বদলে বরং বৃদ্ধি পাওয়ারই কাঠামোগত প্রবণতা কাজ করে। কারণ, এই পর্বে GDP growth মন্থর হয় একদিকে বৈষম্য বৃদ্ধির ফলে ‘মোট চাহিদা’ দুর্বল হওয়ার কারণে, অন্যদিকে ‘কল্যাণকামী রাষ্ট্র’ (Keynesian State Intervention)-এর কার্যকারিতা ক্রমশ খর্ব হয়ে যাওয়ার ফলে। এর ফলশ্রুতিতে ‘কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার’, শ্রমশক্তির বৃদ্ধির হারকেও অতিক্রম করতে পারে না।

এই বাস্তবতা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে। যেসব দেশ বেকারত্ব ও দারিদ্র্য কাটিয়ে ওঠার জন্য পুঁজিবাদী প্রতিষেধক গ্রহণ করে, তারা যে সবসময় ব্যর্থ হবে, এমন কথা নয়। কিন্তু তাদের সাফল্য যদি ঘটে, তবে তা প্রায়শই অন্য দেশের খরচে ঘটে; কারণ সমগ্র বিশ্বব্যবস্থার স্তরে সব দেশ একযোগে capitalist development-এর মাধ্যমে উন্নয়নের একই সোপানে উঠতে পারে না। এক দেশের উন্নয়ন অনেক সময় অন্য দেশের deindustrialization, শ্রমচাপ, বা দারিদ্র্যের সঙ্গেই গাঁথা থাকে।
অতএব সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দুর্দশা লাঘবের সর্বজনীন পথ হিসেবে পুঁজিবাদী উন্নয়নকে মেনে নেওয়া ভ্রান্ত। বরং ‘সংরক্ষিত শ্রমিক বাহিনী’-এর আপেক্ষিক বিস্তার যেহেতু দারিদ্র্যের একটি মুখ্য উৎস, তাই সমকালীন বিশ্ব পুঁজিবাদের বিস্তার নিরঙ্কুশ দারিদ্র্যকে আরও ঘনীভূত করার দিকেই ঠেলে দিতে পারে।
এখানেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার এবং বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশলটি বিশেষভাবে স্পষ্ট হয়। কিছু ছোট অর্থনীতি বা ব্যতিক্রমী রাষ্ট্র পুঁজিবাদী পথ অনুসরণ করে দারিদ্র্যের কিছু ভার লাঘব করতে পেরেছে—এই আংশিক বাস্তবতাকে তারা এমনভাবে পেশ করে যেন সেটিই একটি সর্বরোগনিবারক ঔষধ। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক পরিসংখ্যান এই ধারণাকে সমর্থন করে না; বরং খণ্ডন করে। IMF-এর ‘কাঠামোগত সংস্কার’, ‘আর্থিক ব্যয়-সংকোচন নীতি’, monetary tightening, ‘ভর্তুকি প্রত্যাহার’, এবং ‘পরিশোধের ভারসাম্য সংকট’ মোকাবিলার নামে আরোপিত নীতি-প্যাকেজ বহু দেশে ‘অভ্যন্তরীণ চাহিদা’ দুর্বল করেছে, জনকল্যাণমূলক খাতে সরকারী ব্যয় সংকুচিত করেছে, এবং employment expansion-এর ক্ষেত্র আরও সংকুচিত করেছে। বিশ্বব্যাংকও loan conditionality, policy reform, বাজারের উদারীকরণ, এবং ‘বৈদেশিক পুঁজি আকর্ষণ’-কে উন্নয়নের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে। কিন্তু এই নীতির কেন্দ্রে থাকে না ‘কর্মসংস্থানে নতুন শ্রমশক্তির সংযুক্তি’ বা ‘সামাজিক কল্যাণ’; বরং থাকে macroeconomic discipline, বিনিয়োগকারীদের আস্থা-অর্জন, এবং ‘বিশ্বব্যাপী সংহতি’ (এই সংহতি কিন্তু মেহনতী মানুষের নয়, পুঁজি-র সংহতি)। এর ফলে যে উন্নয়ন-আখ্যান তৈরি হয়, তা কাঠামোগত অসমতাকে আড়াল করে এবং এমন ভান সৃষ্টি করে যেন সব দেশ একই উন্নয়নপথ অবলম্বন করে একই সাফল্যে পৌঁছাতে পারবে।

বাস্তবে, যেসব দেশ আকারে ছোট, যাদের reserve army তুলনামূলকভাবে সীমিত, এবং যারা মহানগরী অর্থনীতির পুনর্বিন্যস্ত উৎপাদনশীল বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে, তারা পুঁজিবাদী পথের মধ্যে থেকেও কিছু সাফল্য পেতে পারে। কিন্তু এই ঘটনাগুলি ব্যতিক্রমী; এগুলি সাধারণ নিয়মের প্রমাণ নয়, বরং ব্যতিক্রম হিসেবেই সাধারণ সত্যের সীমা স্পষ্ট করে। আর সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতির জন্য যা সত্য, তা ভারতের মতো দেশের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে সত্য, বরং আরও তীব্রভাবে সত্য। ঔপনিবেশিক আমল থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বিপুল labour reserve, বিশেষত কৃষিক্ষেত্রে নিহিত অতিরিক্ত শ্রমশক্তি, এমনিতেই অর্থনীতির উপর এক গভীর ঐতিহাসিক চাপ সৃষ্টি করে রেখেছে। এই বাস্তবতায় capitalist development-এর মাধ্যমে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কাটিয়ে ওঠা যাবে—এমন আশা করা প্রায় বিভ্রমে আচ্ছন্ন থাকারই নামান্তর।
নব্য-উদারপন্থী আক্রমণের সূচনার পূর্বপর্বে এই সত্যটি তুলনামূলকভাবে পরিষ্কারভাবে বোঝা যেত। কিন্তু গত কয়েক দশকে পুঁজিবাদকে এমনভাবে বিক্রি করা হয়েছে যে এই সহজ অথচ মৌলিক সত্যটি ক্রমে আড়ালে সরে গেছে। সেই বিভ্রম কাটিয়ে ওঠা জরুরি। প্রয়োজন এমন এক বিকল্প উন্নয়নপথ, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা-কে ভিত্তি করবে; কৃষির উন্নয়নকে তার স্থায়িত্বের শর্ত হিসেবে স্বীকার করবে; ‘আন্তঃসীমান্ত মূলধন প্রবাহ’-এর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে; এবং capital strike বা investment strike প্রতিহত করতে public sector-কে সক্রিয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। মানবকল্যাণের দৃষ্টিকোণ থেকে উন্নয়নের প্রশ্নকে পুনর্বিবেচনা করতে গেলে এই পথ এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
প্রকাশের তারিখ: ০৫-জুলাই-২০২৬

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org