|
মুজফ্ফর আহ্মদ: বিপ্লবী চেতনা ও ভবিষ্য-ভারতের কল্পনাকে এক বিন্দুতে মিলিয়েছিলেনPradosh Kumar Bagchi |
তাঁর কাছে স্বাধীনতার প্রথম শর্তই ছিল গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা। যেখানে প্রেসের স্বাধীনতা ও কথার স্বাধীনতার একটা নিবিড় সংযুক্তি থাকবে। রাষ্ট্রীয় নাগরিক অধিকার যতটা থাকবে পুরুষের, ততটাই থাকবে নারীর। তারপরেও চলতে থাকবে সামাজিক কুপ্রথা ও দাসত্বের প্রতি অন্ধ-মমত্ববোধ কাটিয়ে তোলার সংগ্রাম। |
মুজফ্ফর আহ্মদ ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলন গড়ে তোলার বর্ণময় কাহিনী। তিনি যখন এদেশে কমিউনিজমের আদর্শ প্রচার করতে শুরু করেন, অনেকেরই তখন মার্কসবাদ—লেনিনবাদ, কমিউনিস্ট পার্টি ইত্যাদি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও ধারণা ছিল না। সেই সময় থেকে তিনি চিন্তা করেছেন দেশের স্বাধীনতা নিয়ে। স্বাধীনতা এলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, একথা তিনি মনে করতেন না। স্বাধীনতার পরেও দেশ গঠনের প্রশ্নে লড়াই করে যেতে হবে পুঁজিবাদ, সামন্তবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে—একথা তিনি বলতেন। আর্থিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার যদি প্রতিষ্ঠিত না হয় তবে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেশের গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উপরেও একদিন আঘাত হানবে, অর্থাৎ স্বাধীনতার পরেও প্রয়োজন হবে একটি বিপ্লবের— কংগ্রেসের ভেতরে ও বাইরেও এ ব্যাপারেও তিনি ছিলেন সোচ্চার। এর জন্য অনেক অত্যাচার ও নিপীড়নের মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছে। তাঁর স্বাস্থ্য ভেঙে গিয়েছিল, তবুও ভগ্ন স্বাস্থ্য নিয়েই দেশের নানা প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। দুর্দশাপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজবাদ ও সাম্যবাদের প্রচার করেছেন। তাঁর প্রচারে সবসময়ই একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গঠনের কথাই প্রাধান্য পেত। ১৯৮৯ সালের ৫ আগস্ট নোয়াখালির সন্দ্বীপে এক গরিব মুসলমান পরিবারে মুজফ্ফর আহ্মদের জন্ম। পরে আই.এ পড়ার সময় কলকাতায় আসেন। ততদিনে সাহিত্য চর্চায় তাঁর সুখ্যাতি হয়েছে। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজি ‘মডার্ন রিভিউ’ ও বাংলা ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় তাঁর লেখা ছাপা হয়েছে। উৎসাহিত মুজফ্ফর সাহিত্য চর্চা ও গবেষণার কাজে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতিতে যাতায়াত করছেন। এদিকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে উত্তাল রাজপথ। দেশের জন্য কিছু একটা করার তাগিদও তাঁকে ধাক্কা দিয়ে যাচ্ছিল ভেতর থেকে। বুঝে উঠতে পারছিলেন না, কোন পথ হবে তাঁর জীবনের ধ্রুবতারা। চোখ খুলে দিল রুশ বিপ্লব। তার বছর তিনেকের মধ্যে ১৯২০ সালে দেশের বাইরে তাসখণ্ডে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে উঠার খবর পেয়ে উদ্দীপ্ত হলেন মুজফ্ফর। অবশেষে সাহিত্য চর্চা একপাশে সরিয়ে রেখে রাজনীতির পথেই পা বাড়ালেন। নেমে গেলেন দেশের অভ্যন্তরে পার্টি গঠনের কাজে। সেই সময় স্বাধীনতা আন্দোলনে দু’টি বিশেষ ঝোঁক তিনি লক্ষ্য করেছিলেন যার একটি হলো রিভাইভালিজম বা পুনরুজ্জীবনবাদী মতাদর্শের প্রতি ঝোঁক ও অপরটি স্বাধীনতা আন্দোলনের থেকে দেশের কৃষিবিপ্লবের প্রশ্নকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার ঝোঁক। প্রথম ক্ষেত্রে স্বাধীনতা আন্দোলনের অনেক নেতাই ব্রিটিশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রেরণা সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন আজকের যুগে বাতিল হয়ে যাওয়া অতীতের কিছু চিন্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবধারা থেকে। উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজ থেকে আসা এই নেতারা এর মধ্য দিয়ে সনাতনী হিন্দুসংস্কৃতি ও তার মতাদর্শের এমন একটি ঢাল বেছে নিয়েছিলেন যার বাস্তব ভিত্তি না থাকলেও তা দিয়ে তারা আধুনিক ধ্যানধারণা,ও যুগ চেতনার পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। শুধু তাই নয় তারা চেষ্টা করেছিলেন অতীতের অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারগুলিকেই হিন্দু ধর্মের আলোকবর্তিকা হিসাবে তুলে ধরে পুরনো বর্ণভিত্তিক হিন্দুসমাজের কাঠামোকে শক্তিশালী করতে। সে কারণে মুখে অনেকে স্বরাজের কথা বললেও তার সংজ্ঞা হয় তারা এড়িয়ে গেছেন নয়তো স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। কংগ্রেস মহাসঙ্ঘের নেতারাও যখন স্বরাজ বলতে ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাইরে আর কিছু ভাবতে পারছিলেন না তখন থেকেই কাকাবাবুরা পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে বিভিন্ন সভাসমিতিতে সওয়াল করেছেন—প্রবল বাধার মুখে পত্রপত্রিকা প্রকাশ করেছেন, সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন, পার্টির প্রকাশনা কেন্দ্র স্থাপন করেছেন কিন্তু কোনও অবস্থাতেই কমিউনিস্ট মতাদর্শ থেকে সরে আসেননি। দ্বিতীয় ঝোঁকটি হলো সার্বিক কৃষিবিপ্লবের পথ থেকে সরে আসার প্রবণতা। দেশের স্বাধীনতা ও সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গ হিসাবে কৃষি বিপ্লবের ধারণাকে সবার আগে কমিউনিস্টরাই তুলে ধরেছিলেন। ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের প্রয়াসও সবার আগে তারাই করেছেন। যেহেতু রিভাইভালিজমে বিশ্বাসীদের ভিত্তিভূমি হলো ক্ষয়িষ্ণু সামন্ততন্ত্র ও জমিদারতন্ত্র, তাই সেই ব্যবস্থাকে বরবাদ করে তারা সার্বিক কৃষি বিপ্লবের পথে এগোতে চাইছিল না। এতে স্বাধীনতা অর্জনের প্রচেষ্টা দেশের কৃষি বিপ্লব থেকে যে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে তাতে কাকাবাবু খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিরিশের দশকে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন যখন একটা গুরুত্বপূর্ণ বাঁকের মুখে, সেই সময়ে ১৯৩৬ সালে কারামুক্ত হয়ে কলকাতায় এসেই বঙ্গীয় প্রাদেশিক কৃষকসভা গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, কৃষকসভাকে সবসময়েই তার স্বাধীন অস্তিত্ব বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে বেশিরভাগ কৃষকই ছিল মুসলিম। মুজফ্ফর আহ্মদ হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকেই বোঝাতে পেরেছিলেন যে কৃষক আন্দোলন কোনোভাবেই হিন্দু-মুসলিমের আন্দোলন নয়, অন্নদাতা ও ধনের উৎপাদনকারী রূপেই তাদের ভূমিকা। এখানে সব ধর্মের স্বার্থই এক। কোনোভাবে কৃষক আন্দোলন যেন ধর্ম-সম্প্রদায়ের আন্দোলনে পরিণত না হয়। ১৯৪৬-এর দাঙ্গার পরেও তেভাগা আন্দোলনে যে হিন্দু-মুসলিম বিভেদের স্পর্শ লাগেনি তার পিছনে মুজফ্ফর আহমদ ও কমিউনিস্ট পার্টির বিরাট ভূমিকা ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ তখনই সম্ভব যখন দেশের চাষী-মজুর সম্প্রদায় তাদের পাওনা-গণ্ডা ষোলো আনা বুঝে নিতে সক্ষম হবে। কিন্তু তাদের যদি জীবনে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাই না থাকে, ভণ্ড সাধু ও মোল্লা-মৌলবীদের খপ্পরে পড়ে যদি তারা ভাবতে থাকেন যা হওয়ার পরের জীবনে হবে অথবা যদি তারা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিতে জড়িয়ে যান তবে সমাজে পরিবর্তন অসম্ভব। স্বাভাবিক ভাবে কাকাবাবুর লড়াইটা ছিল কপট সাধু-সন্ন্যাসী ও মোল্লা-মৌলবীদেরও বিরুদ্ধে, কারণ তিনি মনে করতেন এদের দুষ্ট আওতা হতে শ্রমিক-কৃষককে মুক্ত করতে না পারলে দেশোদ্ধারের আশা একেবারেই নেই। তাঁর কাছে স্বাধীনতার প্রথম শর্তই ছিল গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা। যেখানে প্রেসের স্বাধীনতা ও কথার স্বাধীনতার একটা নিবিড় সংযুক্তি থাকবে। রাষ্ট্রীয় নাগরিক অধিকার যতটা থাকবে পুরুষের, ততটাই থাকবে নারীর। তারপরেও চলতে থাকবে সামাজিক কুপ্রথা ও দাসত্বের প্রতি অন্ধ-মমত্ববোধ কাটিয়ে তোলার সংগ্রাম। তবেই ধাপে ধাপে আমূল ভূমিসংস্কারের মাধ্যমে কৃষকের সঙ্গে ভূমির সম্পর্কটিকে বদলে ফেলার সুযোগ তৈরি হবে। তার জন্য তিনি ভরসা করেছিলেন মার্কসীয় মতাদর্শের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক—সাংগঠনিক কার্যক্রমের উপর। এবার তাঁর জন্মের ১৩৮তম দিবস পালিত হচ্ছে এমন একটা সময়ে যখন ব্যক্তির নাগরিক অধিকারগুলোও সঙ্কুচিত হচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসা অতি দক্ষিণপন্থী শক্তি বিজেপি বুলডোজার সংস্কৃতি কায়েম করে গণতন্ত্রের নামে মানুষের মন থেকে ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ভাবনার গোড়া উপড়ে ফেলতে চাইছে। ধর্মীয় বিভাজনকে হাতিয়ার করে যে রাস্তায় এখন হাঁটছে বিজেপি, তা আজ ১৯৪৭ সালে দেশভাগের প্রাক্কালে উত্থিত সেই বিতর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যার মীমাংসা হওয়ার আগেই দেশ ভাগ হয়ে গিয়েছিল অভাবনীয় দ্রুততায়। কমিউনিস্ট পার্টি দেশভাগের বিরোধিতা করলেও তা প্রতিহত করার ক্ষমতা তাদের ছিল না। সেই সময়েও কাকাবাবুরা সচেষ্ট হয়েছিলেন সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী ও ধর্মনিরপেক্ষ জনগণকে একজোট করে এদেশের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যগুলিকে অক্ষুণ্ণ রাখতে, যা আজকের বিজেপি নতুন করে ঘেঁটে দিতে চাইছে। স্বাধীনতার পর ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। কংগ্রেস সব সময়েই বৈচিত্র্যকে রক্ষা করে দেশকে গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের মর্যাদায় ভূষিত করার কথা বলে আসছিল। কমিউনিস্টরা তার সঙ্গে সহমত পোষণ করেও রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় রূপান্তরিত করার দাবিকে সামনে রেখে দেশকে সমাজতান্ত্রিক পথে অগ্রসর করার প্রস্তাব করেছিল। অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও মুসলিম লীগ ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ করে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। কিন্তু এই তিন ধারার সংঘর্ষ একটা ন্যায়সঙ্গত, যুক্তিনির্ভর মীমাংসা-বিন্দুতে উপনীত হওয়ার আগেই দেশভাগের মধ্য দিয়ে তৈরি হলো পাকিস্তান। অন্যদিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের আধুনিক ধারার ভিত্তিতে তৈরি হলো ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভারত। স্বাধীনতার পর কংগ্রেস-কমিউনিস্ট বিরোধ বেড়ে গিয়েছিল দেশ পরিচালনার প্রশ্নে। ক্ষমতায় এসে কংগ্রেস কেবল পুঁজিবাদী পথেই পা বাড়ালো না, অবক্ষয়ী সামন্তবাদের সঙ্গেও গাঁটছড়া বেঁধে নিল। এতে আপত্তি করায় ক্ষিপ্ত কংগ্রেস কমিউনিস্টদের রাষ্ট্রবিরোধী প্রতিপন্ন করতে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রশস্ত্র জমা করার কাল্পনিক অভিযোগ করেছিল এমনভাবে যাতে মানুষ মনে করে কমিউনিস্টরাই দেশের শত্রু। সেই থেকে এই সব অসংখ্য অসত্য অভিযোগের মোকাবিলা করতে হয়েছে কমিউনিস্টদের। পরাধীন ভারতে কমিউনিস্টদের অঙ্কুরেই শেষ করে দিতে চেয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। পারেনি। আর স্বাধীনতার পর কংগ্রেস চেয়েছিল কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তার গোড়া উপরে দিতে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন অধরা থেকে যাওয়ায় হিন্দুত্ববাদী আরএসএস-পন্থীরা, যারা কোনও দিন স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেয়নি, হতাশায় একেবারে ভেঙে পড়েছিল। যার বহিঃপ্রকাশ তারা ঘটালো গান্ধীজীকে হত্যা করে। সম্প্রতি আবার হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের ধুয়ো তুলো তারা ভারতকে পুনরায় ভাগ-বাটোয়ারা করে নিতে চাইছে। ভারত আজ উগ্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও নয়া ফ্যাসিবাদের বাস্তব বিপদের মুখোমুখী। এই প্রেক্ষাপটে একমাত্র মার্কসবাদ-লেনিনবাদের ভিত্তিতে শ্রমিক-কৃষকের জোটবদ্ধ সংগ্রামই পারে দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে। একদা স্বাধীনতার পর অসমাপ্ত গণতান্ত্রিক বিপ্লবকে সমাপ্ত করার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন মুজফ্ফর আহ্মদ। সংশোধনবাদ সংকীর্ণতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে সেই কাজ তিনি অনেকটা এগিয়ে নিলেও তার শেষ দেখে যেতে পারেননি। তাঁকে আমরা হারিয়েছি। কিন্তু তাঁর কর্মময় জীবন, তাঁর রচনাবলী আমাদের প্রেরণা জোগাবে। যে আদর্শের উপর বিশ্বাস রেখে সমাজবাদ ও সাম্যবাদ কায়েম করার সংগ্রাম করে তিনি করে গেছেন তার জয়যাত্রা কেউ রুখতে পারবে না। বর্তমানে সমাজবাদ সাময়িকভাবে একটু অসুবিধার মধ্যে থাকলেও পুঁজিবাদ কখনও শেষ কথা হতে পারে না। একমাত্র ‘‘কমিউনিজমই আজ ভারতবর্ষকে ধ্বংস হতে রক্ষা করতে পারে’’— তাঁর এই কথা যদি আত্মস্থ করতে পারি তবেই তাঁর জন্মদিবস পালনের সার্থকতা। প্রকাশের তারিখ: ০৫-আগস্ট-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|