|
শ্রমকোড বাতিলের দাবীতে সংঘর্ষ চলবেইUjjwal Chattopadhyay |
সংসদে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে এগুলো বাস্তবায়নের জন্য নোটিফাই করতে পারেনি। ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন দেশব্যাপী সংগ্রাম, এমনকি সাধারণ ধর্মঘটের মাধ্যমে এই বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে বারে বারে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। |
‘পুঁজিবাদের কোনো নৈতিক ও অনৈতিক মূল্যবোধ নেই: সবকিছুই যেন বিক্রির জন্য। এই ধরনের পরিবেশে মানুষকে শিক্ষিত করা অসম্ভব কঠিন: মানুষ স্বার্থপর হয়ে ওঠে এবং কখনও কখনও দস্যুতে পরিণত হয়’- কমরেড ফিদেল কাস্ত্রো। আমাদের দেশেও কর্পোরেট পুঁজির সাথে বর্তমানে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন এরকমই কঠিন সমস্যায় পড়েছে। নব্বইয়ের দশকে অর্থনীতিতে বিশ্বায়ন এবং তাকে রাজনীতিতে প্রশাসনিকভাবে সার্থক করার দায়িত্ব যারা গ্রহণ করেছিলেন বা এখন সেই দায়িত্ব পালন করছেন সে বিষয়ে অবশ্যই ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃত্ব ও কর্মীদের দৃষ্টি দেওয়া জরুরী। উৎপাদন নির্ভর শিল্প কারখানায় আগে যেখানে অধিকাংশ ছিল সংগঠিত এখন সেখানে সিংহভাগই কাজে নিযুক্তরা অসংগঠিত। বৈশিষ্ট্য দুটি- (১) স্থায়ী চাকুরি, (২) অস্থায়ী চুক্তিবদ্ধ কাজের বৃদ্ধি হয়েছে। আবার ঐ সংগঠিত ক্ষেত্রকে বর্তমানে এতটাই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করা হয়েছে যে, একই শিল্পের বিভিন্ন অংশকে একটি শ্রমিক সংগঠনের পতাকার তলে সামিল করা খুবই দুঃসাধ্য। তা ছাড়া বর্তমানে তো উৎপাদন শিল্পের স্থান অধিকার করেছে নির্মাণ ও পরিষেবা শিল্প। সকলেই জানেন এসব ক্ষেত্রে শ্রমজীবীদের কেন্দ্রীভবণের সুযোগ থাকে না। এর পাশাপাশি লক্ষ্যণীয় পুঁজিপতিরাও বিনিয়োগ করছেন একাধিক শিল্পে। যার ফলে তারা একটিতে সমস্যা হলেই আরেকটিতে সরে যান। এই পদ্ধতি বা পরিস্থিতিটা পুঁজিপতি মালিকদের হাত শক্তিশালী করে তুলেছিল। শ্রমিক আন্দোলনের যুক্ত আমরা সীমাবদ্ধতা স্বত্তেও এর মোকাবিলা করতাম দেশের শ্রম আইনের মাধ্যমে, যা ভারতের শ্রমিকশ্রেণী বৃটিশ শাসনকাল থেকে এ পর্যন্ত অনেক রক্ত, ঘাম, নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে অর্জন করেছিল। সবচেয়ে বিপদজনক হল গত ২১শে নভেম্বর বিজেপি সরকারের ওই শ্রম আইনের অধিকারের ওপরই আক্রমণ চালানো। শ্রম আইন সংস্কারের নামে শিল্পে পুঁজির বিনিয়োগ বৃদ্ধির আছিলায় ২৯টি চালু শ্রম আইনের জায়গায় চালু করেছে চারটি শ্রমকোড। এই শ্রমকোড সংসদে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে এগুলো বাস্তবায়নের জন্য নোটিফাই করতে পারেনি। ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন দেশব্যাপী সংগ্রাম, এমনকি সাধারণ ধর্মঘটের মাধ্যমে এই বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে বারে বারে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এবার বিজেপি তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে এসেছে—যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অত্যন্ত কম এবং টিডিপি, জেডিইউ-এর মতো মিত্রদের ভরসায় দাঁড়িয়ে থাকা—মোদি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে তার কর্পোরেটপন্থী নীতি দ্রুত বাস্তবায়নে উৎসাহিত করেছে। আগে পুঁজিপতিরা লবি করে সরকারকে প্রভাবিত করতো, কিন্ত বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে কর্পোরেট পুঁজির এক্সিকিউটিভের ভূমিকা নিয়েছে রাষ্ট্র মানে সরকার মানে প্রধানমন্ত্রী সয়ং। এখন তারা শ্রমকোডগুলো গেজেট নোটিফাই করে আক্রমণাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। বিজেপি সরকার এবং কর্পোরেট শ্রেণিকে সতর্ক করতে ইতিমধ্যেই ভারতের শ্রমিকশ্রেণি শ্রম কোডগুলোর বর্তমান রূপে বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। শ্রমকোডগুলো নোটিফাই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রমিকরা সর্বত্র ব্যাপক প্রতিবাদে সামিল হয়েছে, যৌথ ট্রেড ইউনিয়ন প্ল্যাটফর্মের আহ্বান অনুযায়ী। এরপর দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট হবে। ইতিহাসখ্যাত কৃষক আন্দোলন নেতৃত্বদানকারী সংযুক্ত কিসান মোর্চা ইতিমধ্যেই শ্রম কোডের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সংগ্রামে নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করেছে। আজ ২৬শে নভেম্বর সারা ভারতে কৃষক-শ্রমিকশ্রেণী এই শ্রমকোডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে সভা সমাবেশ করছে। এই সরকার যে কর্পোরেট স্বার্থে শ্রমিকদের অর্জিত অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তা দেশের শ্রমজীবীদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখোমুখি হতে বাধ্য হবে। শ্রম কোডের বিরোধিতা কেন? সি.আই.টি.ইউ ইতিমধ্যেই শ্রম কোডের বিষয়বস্তু—এগুলো কীভাবে কর্পোরেটের স্বার্থ রক্ষা করে, শ্রমিকদের বিদ্যমান অধিকার ও কাজের শর্ত কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এসব নিয়ে অনেকগুলি পুস্তিকা, প্রচারপত্র ও নানান উপকরণ প্রকাশ করেছে।গত চার বছর ধরে এই সংগঠনের "ওয়ার্কিং ক্লাস" পত্রিকাও এ বিষয়ে অনেক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে—প্রথম খসড়া থেকে শুরু করে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হওয়া পর্যন্ত। এখানে ওই শ্রমকোডগুলোর মূল দিকগুলো তুলে ধরা হল, যাতে শ্রমজীবী আন্দোলনের কর্মীরা আবার স্মরণ করতে পারে এবং শ্রমজীবীদের মধ্যে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে শ্রেণি আন্দোলনকে উচ্চতর পর্যায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন। বলা হয়েছিল, শ্রমকোডগুলোর আসল উদ্দেশ্য বর্তমান ২৯টি শ্রম আইন বাতিল করে শ্রমিক স্বার্থে ‘সরলীকরণ’। কিন্ত বাস্তবে চারটি শ্রমকোডে একত্রিত করার মূল উদ্দেশ্য হল—শ্রমিকদের রক্ষাকারী উপাদানগুলো সরিয়ে ফেলা। দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বিদ্যমান আইনগুলো শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে কিছু ন্যূনতম সুরক্ষা দিত—মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, কল্যাণ ইত্যাদি বিষয়ে। কিন্তু শ্রমকোড এগুলো ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেবে, যাতে নিয়োগকর্তাদের সুবিধা হয়। সংজ্ঞার জাল ফেলে এই শ্রমিকদের বাদ দেওয়া কোডগুলোতে সংজ্ঞা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে সংগঠিত ক্ষেত্রের বহু শ্রমিকই আর আগের শ্রম আইনের মত কভারেজ পাবে না। উদাহরণস্বরূপ: ‘শ্রমিক’ ও ‘কর্মচারী’ শব্দ দুটি বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ বা অ্যাপ্রেন্টিস, ট্রেনি, বহু বছর ধরে কাজ করা চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক—এদের বাদ দেওয়া হয়েছে। শিল্প সম্পর্ক কোডে ‘সুপারভাইজার’ বা ‘ম্যানেজার’ বলে উল্লেখ করে বড় অংশকে শ্রমিক সংজ্ঞার বাইরে রাখা যাবে। ১৮,০০০ টাকার বেশি মজুরি হলেই ‘শ্রমিক’ নয় বলে গণ্য করা হবে। ১০ জনের কম শ্রমিক থাকলে ‘প্রতিষ্ঠান’ সংজ্ঞার বাইরে। ২০ জনের কম হলে কারখানাকে ‘ফ্যাক্টরি’ বলা হবে না (বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে), বিদ্যুৎ না থাকলে ৪০ জন পর্যন্ত। ৫ হেক্টরের কম প্ল্যান্টেশন বাদ। সুবিধা কমানোর থ্রেশহোল্ড বৃদ্ধিঃ ৫০০ জনের কম হলে সেফটি অফিসার নেই ২৫০ জনের কম হলে কল্যাণ কর্মকর্তা নেই ১০০ জনের কম হলে ক্যান্টিন নেই ৫০ জনের কম হলে মহিলা শ্রমজীবীদের জন্য ক্রেশ নেই। ৫০ জনের কম হলে বিশ্রামঘর/লাঞ্চ রুম নেই। ৫০০ জনের কম হলে অ্যাম্বুলেন্স নেই। মজুরি কোড চারটি মজুরি-সংক্রান্ত আইন বাতিল করে নতুন কোড আনা হলেও, ১৯৫৭ সালের ইন্ডিয়ান লেবার কনফারেন্সের সুপারিশ ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড নেওয়া হয়নি—বরং কেটে-ছাঁটে দুর্বল করা হয়েছে। ‘মজুরি’ বা ‘Wages’ এর সংজ্ঞা সংকুচিত—শুধু বেসিক, ডিএ এবং রিটেনিং অ্যালাওয়েন্স। সার্বজনীনতার দাবি—প্রহসন যে ক্ষেত্রভিত্তিক আইনগুলো (যেমন নির্মাণ, বিড়ি, খনি, ডক, সাংবাদিক, মোটর পরিবহন ইত্যাদি) শ্রমিকদের কাজের স্বভাব অনুযায়ী বিশেষ সুরক্ষা দিত, সেগুলো তুলে এক ছাঁচে সবকিছু চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে চুক্তিভিত্তিক, অভিবাসী শ্রমিকদের সম্পূর্ণভাবে মালিক বা নিয়োগকর্তার ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা কোড বহু শিল্পের (বিড়ি, খনিজ খাত ইত্যাদি) উপর থাকা সেস তুলে দেওয়ায় তাদের আইনগত সামাজিক সুরক্ষা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য কোনো স্পষ্ট সরকারি তহবিল বরাদ্দ নেই। সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে—পি.এফ-এর অবদানের হার কমাতে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে পি.এফ থেকে অব্যাহতি দিতে, পিএফ-এর আওতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে অর্থাৎ পিএফ–ইএসআই ব্যবস্থা ভেঙে ফেলার ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে। কাজের সময় কোডে ৮ ঘণ্টা কাজের কথা থাকলেও অসংখ্য ছাড় রেখে এটিকে লঙ্ঘনের পথই খোলা হয়েছে। আগের আইনগুলোতে— দৈনিক কাজের সময়, সাপ্তাহিক কাজ, বিশ্রামের বিরতি,ওভারটাইম,‘স্প্রেড ওভার’ এসব সুস্পষ্ট ছিল। এখন সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে, ফলে শ্রমিকশ্রেণী চলে যাবে সম্পূর্ণভাবে সরকারের দয়ার উপর। এইসব করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির সাথে আলোচনা ছাড়াই। আমরা দেখছি, কর্নাটক ও তামিলনাড়ু সরকার ১২ ঘণ্টার কাজ চাপানোর উদ্যোগ শ্রম কোডের ঝুঁকি ইতিমধ্যেই নিয়েছে। শ্রমকোডে শ্রমজীবীদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার কমানো হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন্স কোড— ধর্মঘট সহ যৌথ কর্মসূচির অধিকার ব্যাপকভাবে সংকুচিত করছে। মালিকদের স্বার্থে ‘Hire and fire’-কেই বৈধতা দিচ্ছে। শ্রমিক সংগঠন, ইউনিয়নমুক্ত কর্মক্ষেত্র তৈরির সুযোগ দিচ্ছে (স্যামসাং, অ্যামাজনের মতো কর্পোরেটদের আগ্রহ অনুযায়ী) চুক্তি/ফিক্সড টার্ম কর্মসংস্থান বাড়িয়ে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়াকে রুখতে চায় এই সরকার। পরিদর্শন ব্যবস্থা ধ্বংস ‘ইনস্পেক্টর’ বদলে ‘ইনস্পেক্টর কাম ফ্যাসিলিটেটর’ অনলাইন/ওয়েব ভিত্তিক ‘পরিদর্শন’ ব্যবস্থা গড়ার জন্য চেষ্টা হচ্ছে। আশঙ্কামুক্ত হবে মালিক বা নিয়োগকর্তা—আগে থেকেই ‘জানিয়ে’ হবে পরিদর্শন। অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিক পরিদর্শনের সুযোগ আর থাকবে নেই। এই শ্রমকোডগুলির মাধ্যমে ILO কনভেনশন ৮১-এর সরাসরি লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংসদের ক্ষমতা খর্ব প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখা—“যেমনভাবে নির্ধারিত হবে”, “যেমনভাবে প্রণয়ন করবে সরকার” অর্থাৎ ভবিষ্যতে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সরকার নির্বাহী আদেশে করতে পারবে—পার্লামেন্টকে পাশ কাটিয়ে। উপসংহার: শ্রমকোড হলো বর্তমান সরকারের শ্রমিকশ্রেণির বিরুদ্ধে ঘোষণা করা যুদ্ধের অংশ। কর্পোরেটপন্থী, শ্রমবিরোধী, জনবিরোধী এই আক্রমণ প্রতিহত করা জরুরি। নব্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে সর্বস্তরের শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব ও কর্মীদের। তাই আমার এক শ্রমিক আন্দোলনের সহযোদ্ধা অমিতাভ ভট্টাচার্যের কবিতা দিয়েই শেষ সংলাপ উচ্চারণ করি ;- শ্রমকোড
মজুরগুলোর মারলে বেতন
মুনাফা হয় আকাশছোঁয়া,
ছাঁটাই করার ভয় বাড়ালেই
সহজ হবে খাটি ভয়য়ে নেওয়া।
আট ঘন্টা কাজের টাকায়
খাটবে মজুর ঘন্টা বারো,
তবেই হবে সলিড প্রফিট
লাভের পাহাড় বাড়বে আরও।
অঙ্কটা নয় শক্ত তেমন
গল্পটা তো খুব পুরনো,
মজুরগুলোর প্রাপ্য মেরে
মালিক হয়ে লাভ কুড়নো।
সেটাই নাকি বিধির বিধান
সেটাই নাকি অর্থনীতি,
মজুরি চুরি আড়াল করার
অনেক নিয়ম অনেক রীতি ।
‘প্রভুর আমার বাড়ুক নাফা’
ভৃত্য আনে কানুন নয়া,
জায়েজ হলো কম বেতনে
বেশি সময় খাটিয়ে নেওয়া ।
কয়েকজনের বাড়াতে লাভ
কোটি কোটির কী হয়রানি,
মজুর, তোমায় বাঁচতে হলে
রুখতে হবেই এ শয়তানি।
ছবিঃ সোশ্যাল মিডিয়া সুত্রে সংগৃহীত প্রকাশের তারিখ: ০২-ডিসেম্বর-২০২৫ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|