বাম বিকল্পের অন্বেষণে বাংলা বাঁচাও যাত্রা

Abhas Roy Chowdhury
১৯৯৪ সালে বামফ্রন্ট সরকারের নতুন শিল্প নীতির ভিত্তিতে অত্যন্ত দ্রুত ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে দেশের মধ্যে  প্রথম স্থান অর্জন করেছিল পশ্চিমবাংলা। এই শতাব্দীর প্রথম দশকে বিশ্ব জুড়ে ইস্পাত ও অটোমোবাইল শিল্পের একটা উর্দ্ধগতি সৃষ্টি হয়েছিল। নয়া উদারবাদে উৎপাদনের ক্ষেত্র সংকোচনের মৌলিক পরিপ্রেক্ষিতে 'স্বল্পস্থায়ী উর্দ্ধগতি' পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল বামফ্রন্ট সরকার।

প্রথম পর্ব

শীতের উত্তরে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। পারদ স্তর নামতে শুরু করেছে। মেঘ মুক্ত শীতের দিনের মিঠে রোদ ভালো লাগারই কথা। কিন্তু যার ঘরে জলে না দীপ চির আঁধার, যার গায়ে জোটেনা চাদর, যার বাছার শুকনো মুখ, যে যুবার জোটে না কাজ, যে মানুষ ঋণের ফাঁদে ছটফট করছে, যে শ্রমিক পায়না কাজ কিংবা জোটেনা সঠিক মজুরি, তাদের ? আমাদের চারপাশে চেনা পরিবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষের দিনযাপনের উষ্ণতা প্রতিদিন একটু একটু করে সংকট ও কষ্টের শীতলতা গ্রাস করে নিচ্ছে। প্রতিমুহূর্তে বাঁচার তাগিদে কোটি কোটি মানুষকে সংগ্রাম করতে হয় এবং হচ্ছে। আমাদের দেশ এবং রাজ্যের সরকার দুটি সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার সংগ্রামের পাশে নেই। অথচ পরিবর্তনের ডাকে সুদিনের প্রতিশ্রুতি ছিল।

বামফ্রন্ট সরকার দেশের সাংবিধানিক পরিধি এবং নয়া উদারনীতি ব্যবস্থার মধ্যেই মানুষের স্বার্থে বিকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল। এখন যেমন নয়া উদারবাদী লুটতন্ত্রের বিপরীতে কেরালা জন স্বার্থবাহী বামপন্থী বিকল্প। সম্প্রতি দেশের মধ্যে একমাত্র অতি দরিদ্র মুক্ত রাজ্যে উন্নীত হয়েছে কেরালা। কেরালার বাম গণতান্ত্রিক সরকার আজকের নয়া উদারবাদী অর্থনীতির মধ্যেই কাজ করছে। কিন্তু নয়া উদারবাদি লুটতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। পশ্চিমবঙ্গেও ১৯৯১ সাল থেকে বামফ্রন্ট সরকার নয়া উদারবাদী ব্যবস্থার সমস্ত ক্রমণ পিঠ দিয়ে সহ্য করে রাজ্যের জনগণকে বুকে করে আগলে রেখেছিল। কিন্তু ২০১১ সালে সরকার বদলের পরে দেশ জুড়ে চলা নয়া উদারবাদি বেপরোয়া লুটতন্ত্রের মধ্যেই পশ্চিমবাংলা চলছে।

২০১৪ সালে আরএসএস/বিজেপি নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতায় কেন্দ্রীয় শাসন ক্ষমতা দখল করার পরে লুট আরও বেপরোয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পশ্চিমবাংলাও একই বিষাক্ত অক্ষের মধ্যে রয়েছে। পঞ্চায়েত পুরসভার দুর্নীতি, নিয়োগ দুর্নীতি সহ সর্বত্র নির্লজ্জ লুট চলছে। এই লুটতন্ত্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে শাসক দল এবং সাধারণ ও পুলিশ প্রশাসন যুক্ত। লুটতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতেই পঞ্চায়েত পৌরসভার নির্বাচনে সাধারণ মানুষকে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। সুদিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা নরেন্দ্র মোদীর সরকার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ের পরিবেশে আটকে রাখতে চাই। নোট বন্দী থেকে আজকে এসআইআর-র লাইনে সাধারণ মানুষকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সংকটগ্রস্থ সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ লড়াই করার পরিবর্তে নিজেদের ব্যক্তিগত ও পরিবারিক অস্তিত্ব বাঁচাতেই ব্যস্ত। এরই সঙ্গে আছে সম্প্রদায়িক রাজনীতির মাধ্যমে বিভাজন-বিদেশের পরিবেশ তীব্র করা। ভোটার তালিকায় নাম থাকবে কিনা সে নিয়ে সাধারণ মানুষকে কখনও আজকের মতো এত উদ্বিগ্ন ও ভীত হতে হয়নি। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ঘুরপথে এনআরসি লাগু করতে চাইছে। অন্যান্য ইস্যুর মতোই প্রথমে বিরোধীতা এবং শেষ পর্যন্ত আরএসএস-র এই কোর অ্যাজেন্ডাকেও সম্মতি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সিপিআই(এম) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এসআইআর-র বিরোধিতা করেছে। পাশাপাশি পশ্চিমবাংলায় স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবিতে ধারাবাহিক সংগ্রাম গড়ে তুলছে। তালিকা থেকে মৃত, ভুয়ো ও স্থানান্তরিত নাম বাতিল করা এবং সকল প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকাভূক্ত করার দাবি জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকেই তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজ্য জুড়ে ভোটাধিকার রক্ষার লড়াইয়ে সিপিআই (এম) কর্মীরা মানুষের সঙ্গে রয়েছে। এই দাবি নিয়েই শুরু হবে 'বাংলা বাঁচাও যাত্রা'।

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, লিঙ্গ, অঞ্চল নির্বিশেষে মানুষের প্রধান প্রত্যাশা কাজ। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠার সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র্য সীমার নিচে ছিল ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের সময় তা ছিল ৩০ শতাংশের নিচে। ভূমি সংস্কার, জনগণের পঞ্চায়েত গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জীবনমানের উন্নয়নকে নিশ্চিত করেছিল। শিক্ষার সার্বজনীকরণ এবং ব্লক স্তর পর্যন্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রসারের মাধ্যমে যেমন শিক্ষা স্বাস্থ্য খেটেখাওয়া মানুষদের কাছে পৌঁছে ছিল। পাশাপাশি স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত পুরসভা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময় অন্তর শুন্য পদ গুলি যোগ্যতার মাধ্যমে পূরণ করা হতো। চলতি চোদ্দ বছরে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষের উপর সরকারি দপ্তরের স্থায়ী পদ শূন্য রয়েছে। নির্দিষ্ট নিয়োগ নেই। যতটুকু নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাও সীমাহীন দুর্নীতিতে পরিপূর্ণ। সারা পৃথিবীর সব থেকে বেশি বেকারের বাসভূমি ভারতবর্ষ। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের সময় ভারতের এই বেকার সংখ্যার হারে পশ্চিমবাংলার উল্লেখযোগ্য অবদান আছে।

বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে ভূমি সংস্কারের সাফল্য সাধারণ মানুষের জীবনমান ও ক্রয়ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে বাংলার গ্রাম-শহরে শিল্প পণ্যের বাজার প্রস্তুত করেছিল। এটাই উন্নত কৃষির ভিতের ওপর শিল্পায়নের বাস্তব সম্ভবনা। এক সময় তা বছরে ২০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছিল।  কেন্দ্রীয় সরকারের দীর্ঘ বঞ্চনা ও বৈষম্যমূলক মাশুল সমীকরণ নীতির কারণে দেশের শিল্প মানচিত্রে পশ্চিমবাংলা ক্রমশ পিছিয়ে গেছিল। ১৯৯৪ সালে বামফ্রন্ট সরকারের নতুন শিল্প নীতির ভিত্তিতে অত্যন্ত দ্রুত ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে দেশের মধ্যে  প্রথম স্থান অর্জন করেছিল পশ্চিমবাংলা। এই শতাব্দীর প্রথম দশকে বিশ্ব জুড়ে ইস্পাত ও অটোমোবাইল শিল্পের একটা উর্দ্ধগতি সৃষ্টি হয়েছিল। নয়া উদারবাদে উৎপাদনের ক্ষেত্র সংকোচনের মৌলিক পরিপ্রেক্ষিতে 'স্বল্পস্থায়ী উর্দ্ধগতি' পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল বামফ্রন্ট সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে তা ব্যর্থ হয়। এই ষড়যন্ত্রে বিভিন্ন বিদেশি এজেন্সির ভূমিকাও আলোচনায় এসেছে। সেদিনের ষড়যন্ত্রের অন্যতম কুশীলব আরএসএস/বিজেপি। সমাজ অর্থনীতি রাজনীতির এই ট্রাজেডিতে পশ্চিমবাংলার যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা ধ্বংস হয়ে যায়। বাংলার নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ইউ টার্ন নিয়ে অন্ধকারের দিকে এগিয়ে গেছে।  তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের সময়ে পশ্চিমবাংলায় নতুন কোনো উৎপাদনমুখী শিল্প গড়ে ওঠেনি। উন্নত মানব সম্পদ সঞ্চিত শ্রম হিসেবে  অব্যবহৃত অবস্থায় থেকে গেছে। পুঁজিবাদের সংকটে এই মজুত বেকার বাহিনীকে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ত শক্তি গণতন্ত্র হত্যার কাজে ব্যবহার করে। এদেশ এরাজ্যে আরএসএস/বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস এই কাজ করছে।

এমনিতেই নয়া উদারবাদী ব্যবস্থা উৎপাদন ক্ষেত্রের বিকাশের সুযোগ কম। তার উপর কোভিড সংক্রমণ সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রকে ধাক্কা দিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ কর্মচ্যুত হয়েছেন। কিন্তু পৃথিবীব্যাপী দৈত্যাকার কর্পোরেট গুলির মুনাফার পরিমাণ কমেনি। আমাদের দেশেও একই চিত্র। এই সময়েই নতুন ক্ষেত্র হিসেবে গিগ অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে। শ্রম সম্পর্কে বিচারের এ এক নতুন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। এখানে শ্রমজীবী মানুষ নিজেদের ঘাম-রক্ত জল করে মালিকের ঘরে মুনাফা পৌঁছোয়। অথচ মালিকের সঙ্গে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্কই প্রায় নেই। মূলত তরুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা শ্রমিক হিসাবে এখানে কর্মরত। এখন পশ্চিমবাংলায় আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ লক্ষ যুবক-যুবতী গিগ ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করেন। যারা দৈনিক ১২ ঘণ্টা মতো কাজ করতে বাধ্য হয় এবং সাধারণভাবে মাসিক ১০ হাজার টাকার নিচে তাদের রোজকার। অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে তারা প্রতিদিন প্রতি মূহুর্তে কাজ করে। কাজের কোনো স্থায়িত্ব নেই, কাজের জায়গায় কোনো নিরাপত্তা নেই। প্রতি মুহূর্তে হয়রানি ও হিংসার শিকার হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে তারা রাস্তা চলেছে। বাংলাকে বাঁচাতে হলে এই নতুন ধরনের শ্রম-সম্পর্কে আবদ্ধ তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। সারাদেশে একই আইডি চালু করতে হবে। সরকারকে গিগ ওয়ার্কার ওয়েলফেয়ার ফান্ড গঠন করতে হবে। গিগ ওয়ার্কাররা যে প্ল্যাটফর্ম গুলির জন্য শ্রম দিচ্ছে তাদেরকে আয়ের ২ শতাংশ এই ওয়েলফেয়ার ফান্ডে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।

সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও কৃষি ক্রমশ অলাভজনক ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। সাধারণভাবে খোরাকির জন্য কিংবা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ না থাকার কারণে লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ মানুষ কৃষি ক্ষেত্রে যুক্ত রয়েছেন। ২০০৪ সালে বামপন্থীদের সমর্থনের ভিত্তিতে প্রথম ইউপিএ সরকারের সময় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প কাজ চালু হয়। রেগার কাজে তখন পশ্চিমবাংলা সামনের সারির রাজ্য গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল। গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামের স্থায়ী সম্পদ সৃষ্টির অনন্য নজির গড়ে উঠেছিল পশ্চিমবাংলায়। সরকার পরিবর্তনের পরে সীমাহীন দুর্নীতি রেগার কাজের মূল লক্ষ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নীতিগতভাবে রেগার বিরোধী আরএসএস/বিজেপি সরকার এই দুর্নীতির অজুহাতে আড়াই বছর ধরে পশ্চিমবাংলায় রেগার কাজে কোনো ব্যয় বরাদ্দ করেনি। ১০০ দিনের কাজ বন্ধ থাকার ফলে গ্রামীণ খেটেখাওয়া মানুষদের রোজকার ভয়ংকর ভাবে কমে গেছে। এই ক্রমবর্ধমান কর্মহীনতার কারণে প্রতিবছর ১০ থেকে ১২ লক্ষ মূলত গ্রামীণ মানুষ মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, গুজরাট, দিল্লি, কেরালা, তামিলনাড়ু সহ রাজ্যের বাইরে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছেন। এঁদের প্রায় ৮০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশের উপর মহিলা। কোভিড পরিস্থিতির দিনগুলি চোখে আঙুল দিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিদারুণ যন্ত্রণা দেখিয়ে দিয়েছে। আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভাষা ও ধর্মের নামে বাংলার পরিচয় শ্রমিকেরা হয়রানি ও হিংসার শিকার হচ্ছেন। দেশের কেন্দ্রীয় সরকারকে পরিযায়ী শ্রমিকদের দায়িত্ব নিতে হবে। রাজ্য স্তরে মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাক্ট চালু করতে হবে। জাতীয় স্তরে অভিন্ন পরিচয় পত্র চালু করতে হবে। সকল পরিযায়ী শ্রমিকদের কর্মস্থলে রেশন, চিকিৎসার অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিক হিসেবে প্রাপ্ত অধিকার গুলি পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও সুনিশ্চিত করতে হবে।

গ্রাম শহরের খেটেখাওয়া মানুষের জীবনে বেকারি, অর্ধ-বেকারির ক্ষতিকর নেতিবাচক প্রভাব বেড়েই চলেছে। সংসার চালাতে নাজেহাল মানুষ ক্রমশ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ায় মহিলাদের উপর তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। পরিবারে নির্দিষ্ট আয়ের অভাবে মহিলাদের ঋণগ্রহীতার সংখ্যা বাড়ছে। আজ গ্রাম বাংলার প্রায় ২৪ লক্ষ মহিলা মাইক্রো ফিনান্সের ঋণের জালে জড়িয়ে গেছেন। ৩৩ হাজার ১৮১ কোটি টাকা এখন পশ্চিমবাংলার মাইক্রো ফিন্যান্সে খাটে, যা ভারতের ১৩ শতাংশ এবং পূর্ব ভারতের ৫০ শতাংশ।

 




প্রতিবেদনটি দুটি পর্বে প্রকাশিত - দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক


দেশহিতৈষী পত্রিকায় প্রকাশিত


প্রকাশের তারিখ: ২৮-নভেম্বর-২০২৫

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org