১০ই অগাস্ট জেল ভরো আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

Nirapada Sardar
গুন্ডা দমন আইন কাদের স্বার্থে? সরকারের স্বার্থে। যারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবে, যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলবে, প্রতিবাদ করবে তাদের দমন করা আইন হলো গুন্ডা দমন আইন।

২০১৮ সালে ১০ই আগস্ট জেল ভরো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। ডাক দিয়েছিল কৃষক সভা ও সিআইটিইউ। দাবি ছিল ফসলের ন্যায্য মূল্য, কৃষকের ঋণ মকুব এবং নূন্যতম মজুরি। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে অভূতপূর্ব সাড়া পড়েছিল। দক্ষিণবঙ্গের জেলাসমুহে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণ। ১৯ জন কমরেড গ্রেফতার হয়েছিল। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে রাজভবনের সামনে পৌঁছে যায় মিছিলের একাংশ। যদিও সব দাবি ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। এই আইন অমান্য কর্মসূচিতে তৃণমূলের অত্যাচার উপেক্ষা করে মানুষ পথে নেমেছিল অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। মানুষের আবেগ ও উৎসাহ দেখে রাজ্যের তৃণমূল সরকার হতভম্ব হয়ে পড়েছিল।

এবারের জেল ভরো কর্মসূচি অনেকটাই  ভিন্ন প্রেক্ষাপটে-

আগামী ১০ই আগস্ট ২০২৬, ৮ বছর পর সারা দেশজুড়ে সমস্ত রাজ্যে জেল ভরো আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কৃষক-খেতমজুর ও শ্রমিক সংগঠনগুলি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বাসস্থান, বিদ্যুৎ ,কৃষি, কাজ ও মজুরির অধিকার থেকে দেশের জনসাধারণ বঞ্চিত হচ্ছে। সংবিধান, নাগরিক অধিকার, নারী সুরক্ষা, ছাত্র,যুব এবং নানা ভাষাভাষীর মানুষ গভীর সংকটময় পরিস্থিতিতে দিন অতিবাহিত করছে। এই পরিস্থিতিতে আইন অমান্যর ডাক নৈতিক এবং তাৎপর্যপূর্ণ। সরকার যে আইন তৈরি করেছে তা ধনীক শ্রেনীর, কর্পোরেট ও কোটিপতিদের স্বার্থে - এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে জনগণের উপর। ফলে জনজীবন বিপন্ন হচ্ছে। কাজের অধিকার থেকে, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য পরিসেবা এমনকি সাংবিধানিক অধিকার থেকেও শ্রমজীবী মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। এইবার আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শ্রমিক, কৃষক, খেতমজুর ও বস্তি সংগঠন।

ন্যূনতম মজুরি সরকারের ধার্য করার মতো সৎ সাহস নেই। কেরালায় নূন্যতম মজুরি ধার্য্য হয় ৭৫০/- টাকা। কেরালা পারে অথচ দেশের সরকার পারে না। জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি আকাশ ছোঁয়া। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আনুপাতিক হারে মজুরির ঘোষণা করা হয় না। সম্মানজনক মজুরি না থাকায় শ্রমজীবী মানুষ বিভিন্ন রাজ্যে রাজ্যে ঘুরে বেড়ায়। অবশেষে কম মজুরিতে কলে-কারখানায় কাজ করতে বাধ্য হয়।

সংবিধানের ধারাগুলোর পরিবর্তন এনে জমির আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। পাহাড়-জঙ্গল-জল কর্পোরেটদের হাতে তুলে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংকটে পড়ছে জনজাতি আদিবাসী মানুষ। উদ্বৃত্ত খাস ও বেনামী সম্পত্তি যাচ্ছে ফড়ে ও ব্যবসাদারদের হাতে।

এ আইন গরীব, কৃষক, খেতমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য নয়। এই আইন শ্রমজীবী, মেহনতি মানুষের পাঁজর ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে, কৃষক ফসলের দাম না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। জমি হারিয়ে তারা ভূমিহীন হচ্ছে। কৃষকের সন্তান অর্ধশিক্ষিত হয়ে ভীন রাজ্যে কাজের সন্ধানে ছুটছে। পরিযায়ী শ্রমিকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষিত যুবক সমাজে শিক্ষার মর্যাদা না পেয়ে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছে, সামাজিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করছে, রাজ্যে রাজ্যে যৌন নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। গতর লুট করে টাকার উপর টাকার পাহাড় তৈরি করছে মুনাফাবাজ রক্তচোষা বাদুড়েরা। এরাই দেশের নরেন্দ্র মোদীর ডাবল ইঞ্জিন সরকার চালাচ্ছে। ডাবল ইঞ্জিন মানে কর্মসংস্থান নয়, ডাবল ইঞ্জিন মানে যত দ্রুত সম্ভব দেশের সম্পদ, মানব সম্পদ লুট করে কোটিপতি ও লুটেরাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

বিদ্যুৎ আইন পরিবর্তন করে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত, কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের উপর বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে।

শ্রম আইন পরিবর্তন করে দেশের শ্রমজীবী মানুষের শ্রম লুট করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, (যা কোটিপতি ও শিল্পপতিদের ভাবনা থেকেই এসেছে)। কল-কারখানার শ্রমিকরা এতোদিন আট ঘন্টা কাজ করত, এরপর ছিল ওভার ডিউটি। এখন থেকে বারো ঘন্টা কাজ করতে হবে তার পর ওভার ডিউটি। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করতে পারবে না। মালিক যে মজুরি দেবে সেটাই মেনে নিতে হবে। আধুনিক সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে হিমালয়ে জমা বরফের গলনাঙ্ক দ্রুত বৃদ্ধি ঘটছে। আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, জলবায়ু দূষিত হচ্ছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। শ্রমজীবী মানুষের উপর তাপমাত্রার প্রভাব পড়ছে ফলে শ্রমশক্তি হ্রাস পাচ্ছে।যখন মানুষের শ্রমশক্তি হ্রাস পাচ্ছে - তখন শ্রম লুট করার জন্য বারো ঘন্টা কাজ করার আইন পাশ হচ্ছে এর চেয়ে বড় দানবীয় পৈশাচিক আইন আর কি হতে পারে?

ঘুর পথে চালাকি করে শ্রমিক শ্রেণীর ইতিহাস মুছে ফেলতে চায়। শ্রমিক শ্রেণীর দীর্ঘ লড়াই, সংগ্রাম ও আন্দোলনের ইতিহাস মে দিবস। ১ লা মে পৃথিবীর দেশে দেশে মে দিবস পালন করা হয়, শ্রমিক শ্রেণীর আন্দোলন কে কুর্নিশ জানায় এবং ইতিহাস কে স্মরণে রাখে। শ্রমিক দের ৮ ঘন্টা কাজের দাবি, তারা এর বেশি কাজ করতে রাজি নয়। দিনের ২৪ ঘন্টা’কে ৩ ভাগে ভাগ করে এবং দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করে - ৮ ঘন্টা কাজ, ৮ ঘন্টা বিশ্রাম, ৮ ঘন্টা পরিবারের জন্য। আমেরিকার শিকাগো শহরে ইংরেজদের পুলিশের গুলিতে বহু শ্রমিক শহীদ হয়েছিলেন। রক্তে লাল হয়েছিল শিকাগো শহরের মাটি। এ ইতিহাস মুছে ফেলার উদ্যেশ্য নিয়েই শ্রম-আইন পরিবর্তন।

নরেন্দ্র মোদী সরকার আর এস এস এর অঙ্গুলি হেলনে চলে এবং নির্ভরশীল কোটিপতি কর্পোরেটদের উপর।

কর্পোরেটদের হাত ধরে হিন্দুত্বের উদ্দেশ্য পূরণের দিকে যেতে চায়। মনুবাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আড়ালে রেখেছে। ধর্ম আর রাজনীতি এজেন্ডা, সাম্প্রদায়িক বিভাজনই প্রধান, পেটের ভাত, রুটি-রুজি সবই গৌন।

রাজ্যে রাজ্যে বহু ঘটনা ঘটছে,এই ঘটনার প্রতিবাদ হচ্ছে - যেমন নারী নির্যাতনের ঘটনা,ধর্ষনের মতো জঘন্যতম ঘটনা, খুনের ঘটনা, পুড়িয়ে মারার ঘটনা, লুট, চুরি, দুর্নীতি, নাগরিকত্ব, সীমান্তের সমস্যা ইত্যাদি ইত্যাদি ঘটনায় আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে, আন্দোলন হচ্ছে। আবার থেমে যাচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে। এই সব ঘটনা ও আন্দোলন সাধারণ ও শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের কিছু সময়ের জন্য আহত করে, বিঢ়ম্বিত করে। তাই মানুষ প্রতিবাদ করে, প্রতিবাদ মিছিল-মিটিং’এ অংশগ্রহণ করে আবার নিজেদের জগতে ফিরে যায়। এতে শ্রেনী আন্দোলন সংগঠিত হয় না, শ্রেনীর স্বার্থ রক্ষা হয় না। এই সব ঘটনার সারাংশ বস্তুনিষ্ঠ ভাবে কৃষক ও শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের মধ্যে নিয়ে যেতে হয়।

জেল ভরো আন্দোলন অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে এক স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র, দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। এসেছে আরেক স্বৈরাচারী, হিন্দুত্ববাদী, সাম্প্রদায়িক শক্তি আরএসএস পরিচালিত বিজেপি সরকার। দুর্নীতিগ্রস্ত দলবদলু’দের মধ্যেই একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। এমএলএ ও নেতা মন্ত্রীদের কেনাবেচাতে ওস্তাদ। মুসলমানদের দুচোখে দেখতে পারে না । বাংলাদেশে পার করেই ছাড়বে এমন মনোভাব নিয়ে চলছে।

গরু মোষ পোষে কারা? গরু পোষে গোয়ালা, গরীব মানুষ, কৃষক, খেতমজুর, নিম্ন মধ্যবিত্ত প্রান্তিক মানুষ। রুচি ও খাদ্যাভ্যাস এর উপর নির্ভর করে অনেকেই বিভিন্ন প্রাণীর মাংস আহার হিসাবে গ্রহণ করে। আসলে ক্ষতিগ্রস্ত হলো গরীব মানুষ, আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো এরাই। রেল দপ্তর’কে দিয়ে রেলস্টেশন চত্বরে গরীবের দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার দিয়ে। লাখো লাখো প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের পেটের ভাত কেড়ে নিল। পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা নেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে চুপ করে রইলেন। আন্দোলনের ধাক্কা সামলাতে না পেরে আপাতত কোর্টের রায়ে  কিছুদিন বন্ধ ছিল, তারই মধ্যে নুঙ্গি স্টেশনে উচ্ছেদ হয়েছে। ১০০ দিনের কাজ চালু করা গেল না, কোর্ট রায় দিয়েছিল ১লা আগস্ট ২০২৬ কাজ চালু করতে কিন্তু  হল না।  বিজেপির কাছে কোর্টের রায়ের কোন মূল্য নেই। এদের কাছে আইন ততক্ষণ – যতক্ষণ আইন তাদের মতো চলে। তাই গরীব মানুষের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার আইন পরিবর্তন করে ভিবিজিরামজি প্রকল্প চালু করার কথা ভাবছে, শুরু হয়নি। আবাস যোজনা আক্রান্ত, অন্নপূর্ণার খারাপ অবস্থা, মিড ডে মিলে আরও পুষ্টিকর খাদ্য কিভাবে দেওয়া যাবে তার জবাবে ইস্কনের উপর নির্ভরতা। বার্ধক্য ভাতা, যুব সাথী, স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী-রূপশ্রী’র মত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। জমির অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। দলিল যার জমি তার, রেকর্ডের কোন দাম নেই। কৃষকের জমি লুট করার নয়া কৌশল আবিষ্কার করছে। কৃষক পাটের দাম পাচ্ছে না, আম কেনার কোনও পরিকল্পনা নেই। ফসল সংগ্রহ করার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি। এলাকায় কাজ নেই। পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে গাঁয়ের গরীবরা। যে রাজ্য ছিল খাদ্যে দেশের মধ্যে প্রথম । সেই রাজ্য এখন পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যায় প্রথম।

৮ হাজারের বেশী স্কুল বন্ধ, আরও ৩ হাজার স্কুল বন্ধ হতে চলেছে। পড়ুয়া নেই এই অজুহাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বন্ধ হওয়া স্কুলগুলির বেশির ভাগই গ্রামীন এলাকায়, সে জায়গায় পঠন পাঠনের কি হবে? মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে ড্রপ আউটের সংখ্যা বাড়ছে।

তৃণমূল’কে নিকেশ করতে বিজেপি এখন খুব ব্যস্ত। প্রায় সকলকেই নিয়ে নিয়েছে। বাকি যে কজন আছে তাদেরও আসতে হবে না হলে ‘ডিম থেরাপি’ চলছে। মানুষের আহারের জরুরি উপাদান এভাবে নষ্ট করছে। ডিমের দাম গরীব মানুষের কেনার সাধ্যের বাইরে। বিজেপি ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূল ফারাক করতে ব্যস্ত। ভালো তৃণমূল সব বিজেপি’তে ঢুকে গেছে। খারাপ তৃণমূলে যারা, তাদের চুরির দায়ে গ্রেপ্তার করছে আর কোমরে দড়ি বেঁধে পাড়ায় পাড়ায় ঘোরাচ্ছে। এটা কি পুলিশের কাজ? আসলে পুলিশমন্ত্রীর আদেশ।

রাজ্যের মানুষ এমন এক শাসন দেখছে, যা কোনো দিন ভাবেনি। এই দুমাসের মধ্যে একাধিক ধর্ষণ হয়েছে, বারুইপুরের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা একজনকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে মেরেছে। আর একজনের জবানবন্দি অনুসারে একাধিক জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অবশেষে যার সাহায্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করলো তাকেই এনকাউন্টারে মরতে হল। এটা দেশের বিচার ব্যবস্থার উপর আঘাত নয়? রাজ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করছে সরকার।

গুন্ডা দমন আইন কাদের স্বার্থে? সরকারের স্বার্থে। যারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবে, যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলবে, প্রতিবাদ করবে তাদের দমন করা আইন হলো গুন্ডা দমন আইন।

রাজ্যের ক্ষমতায় এলেও বিজেপি ভালো করেই জানে বাংলার গণ-আন্দোলন, শ্রেনী-আন্দোলন কি ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে যদি বামেরা নেতৃত্ব দেয়। তাই আগে থেকেই আইনী রক্ষাকবচ পরাবার চেষ্টা করছে। আমাদের গভীর ভাবে অধ্যায়ন করার সময় এসেছে।

এ প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই আগামী ১০ ই আগস্ট জেল ভরো আন্দোলনের আহ্বান।


প্রকাশের তারিখ: ০৩-আগস্ট-২০২৬

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org