সঙ্ঘ নারী সংগ্রাম - ১০

চন্দন দাস
১৯৯৮-এর জানুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা। ২০১১-তে তৃণমূলের সরকার তৈরি। প্রতিষ্ঠার সময় তৃণমূলের ঘোষণায় মহিলাদের উন্নয়নের বিষয়ে কোনও কথা ছিল না। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনেও মহিলাদের বিষয়ে কোনও প্রসঙ্গ ছিল না তৃণমূলের ইশতেহারে। কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল তৈরির ঘোষণা মমতা ব্যানার্জি করেছিলেন তার আগে, ১৯৯৭-এর ডিসেম্বরে। এক মহিলার নেতৃত্বে সেই দল গড়ে ওঠার পর রাজ্যে মহিলাদের উপর আক্রমণ বেড়েছে।

তৃণমূলের কথা উঠলে অনেক মহিলার মুখ ভেসে ওঠে স্মৃতিতে। আজ একজনের কথা বলবো। আজ অঞ্জলি মাইতির কথা লিখবো।
২০০৯-এর জুলাই। সেদিন মঙ্গলবার ছিল। তমলুকে দেখা হয়েছিল অঞ্জলি মাইতির সঙ্গে। তমলুকের নিমতৌড়িতে ঘরছাড়াদের শিবিরে ছোট্ট মেয়ে অর্পিতাকে কোলে নিয়ে এক কোণায় বসে ছিলেন অঞ্জলি মাইতি। খেজুরি-১ ব্লকের বীরবন্দর পঞ্চায়েতের উত্তর কলমদান গ্রামে তাঁর বাড়ি। পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির স্থানীয় নেত্রী তিনি। স্বামী বলাই মাইতি গ্রামের কৃষক সভার সম্পাদক। তৃণমূলের ‘খেজুরি দখল’ অভিযানের সময়ে ঘরছাড়া হতে হয় বলাই মাইতিকে। ঘরছাড়াদের শিবিরে স্বামীর কাছেই বসে ছিলেন অঞ্জলি মাইতি। সামনে গিয়ে বুঝতে পারি নীরবে কাঁদছেন অঞ্জলি মাইতি। তাঁর ওপর যে ভয়ঙ্কর পাশবিক অত্যাচার করেছে তৃণমূলীরা তা বলার মতো অবস্থায় তিনি নেই। মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত। শুধু বললেন,‘‘সব কথা কি খুলে বলা যায়?’’
অঞ্জলি মাইতির স্বামী বলাই মাইতি এগিয়ে এলেন। বললেন,‘‘একজন মহিলার ওপর যে এভাবে ওরা (তৃণমূলীরা) অত্যাচার চালাবে ভাবতেই পারি না। আমি একমাস আগে ওদের ভয়ে ঘরছাড়া হই। ওরা আমাকে খুনের হুমকি দিয়েছিল। আমি বাড়ি ছাড়ার পর তৃণমূলের লোকজন অঞ্জলিকে এসে রোজ চাপ দিত। আগে হাজির কর, না হলে তোমাকে পেটাব। এভাবে কিছুদিন চলার পর দিন পনেরো আগে ওকে বেঁধে মারধর করে। ওর বাঁ হাত থেঁতলে দেয়। সেদিন হুমকি দিয়ে গিয়েছিল, স্বামীকে এক সপ্তাহের মধ্যে না হাজির করতে পারলে বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। বাড়ির সব কিছু লুঠ করে নেবে। ইতিমধ্যেই পুকুরের মাছ, নারকেল সব লুঠ করেছিল। চাষ পর্যন্ত করতে দেয়নি। এই ঘটনার কথা পুলিশকে পর্যন্ত জানাতে পারেনি ও।’’
এক সপ্তাহ কেটে যেতে তৃণমূলীরা আবার আসে। বলে স্বামীকে যখন হাজির করতে পারোনি তখন তোমাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। এরপরই শুরু হয় টানা এক সপ্তাহ ধরে পাশবিক অত্যাচার। বলাই মাইতি জানান, ছোট মেয়েটার মায়ের ওপর এভাবে অত্যাচার হতে দেখে কাঁদলেই তার মুখ বেঁধে দিত, তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিত। এই অত্যাচারের কথা হেঁড়িয়া থানার পুলিশকে জানানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তৃণমূলের হুমকিতে তাও অসম্ভব হয়ে ওঠে। ওষুধপত্র কিনতে পর্যন্ত পারেনি। চিকিৎসাহীন অবস্থায় বাড়িতেই পড়ে ছিলেন। নজরবন্দী করে রেখে ছিল তৃণমূল। এই অবস্থায় এক রাতে কোনো ক্রমে প্রাণ হাতে করে পালিয়ে এসেছেন তিনি। প্রথমে হেঁড়িয়া আসেন পায়ে হেঁটে এবং তারপর বাসে চেপে তমলুকে ঘরছাড়াদের শিবিরে স্বামীর কাছে।
জঙ্গলমহল হাসছে, বারবার এই কথাই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তৃণমূল-মাওবাদী জোটের দুর্বৃত্তরা অপরহরণ করেছিল ছবি মাহাতো, সম্প্রীতি মাহাতোর মত বেশ কয়েকজন মহিলার আজও খোঁজ নেই।
এমন অনেক ঘটনা, অনেক অত্যাচার মিশে আছে তৃণমূলের ইতিহাসে। তৃণমূলের নাশকতা, হামলা, দখল মহিলা এবং শিশুদের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। যা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।
বাংলার সমাজে দীর্ঘদিন পর হিংসাকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছে তৃণমূল। যার প্রভাব আজ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তীব্র মুখের ঈশ্বর হাজির হয়েছেন প্রতীক হিসাবে। তাঁকে ধর্মপ্রাণ মহিলারা গ্রহণ করছেন। কীভাবে সম্ভব হলো? বিচার করার প্রয়োজন আছে।
১৯৯৮-এর জানুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা। ২০১১-তে তৃণমূলের সরকার তৈরি। প্রতিষ্ঠার সময় তৃণমূলের ঘোষণায় মহিলাদের উন্নয়নের বিষয়ে কোনও কথা ছিল না। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনেও মহিলাদের বিষয়ে কোনও প্রসঙ্গ ছিল না তৃণমূলের ইশতেহারে।
কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল তৈরির ঘোষণা মমতা ব্যানার্জি করেছিলেন তার আগে, ১৯৯৭-এর ডিসেম্বরে। এক মহিলার নেতৃত্বে সেই দল গড়ে ওঠার পর রাজ্যে মহিলাদের উপর আক্রমণ বেড়েছে।
কেশপুর-গড়বেতা, নন্দীগ্রাম, লালগড়ে তার অনেক উদাহরণ। কেশপুর-গড়বেতায় ১৯৯৭-’৯৮-এ জনযুদ্ধ এবং বিজেপি’র সঙ্গে মিলে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে গ্রামগুলিতে। ২০০৭-এ নন্দীগ্রামের নাশকতা, নৈরাজ্যে তার সঙ্গী ছিল বিজেপি. মাওবাদী, জামাত সহ আরও কিছু শক্তি। লালগড়ে তৃণমূল-মাওবাদীরা মিলে তৈরি করেছিল মঞ্চ— ‘পুলিশী সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটি।’ বিজেপি সেখানেও তাদের সহায়ক ছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে এই সস্ত্র বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়েছেন মহিলারা। শহীদ হয়েছেন অনেক মহিলা। তাঁদের মধ্যে আইসিডিএস কর্মী, লোকশিল্পী, গৃহবধূ সহ নানা অংশের মহিলারা আছেন। তৃণমূল সরকার গঠনের পরেও রাজ্যে মহিলাদের উপর নানা ধরণের আক্রমণ বেড়েছে।
মমতা ব্যানার্জি কংগ্রেস থেকে বহিষ্কারের আগেই বিজেপি-র প্রতি হাত বাড়িয়ে ছিলেন। আর তাতে বিজেপি, সঙ্ঘ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে। উদাহরণ? লালকৃষ্ণ আদবানীর বক্তব্য। দিনটি ছিল ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৯৭। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে আদবানী বললেন,‘‘কেন্দ্রে নিজেদের উপস্থিতির তুলনায় অনেক বেশি শক্তি মার্কসবাদীরা অর্জন করেছে রাজনৈতিক কৌশলের মধ্যে দিয়ে। মার্কসবাদ-বিরোধী লড়াই যিনিই করবেন, বিজেপি তাকে সমর্থন করবে। মমতা ব্যানার্জি বলেছেন বিজেপি অচ্ছুৎ নয়। তার এই অবস্থানকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।’’
বামপন্থীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটিতে তখন পা রাখার জন্য মমতা ব্যানার্জিকে পা দানি বানানোর সুযোগ তখন বিজেপি-র কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের গড়ে ওঠার পরিপ্রেক্ষিত এটিই।
১৯৯৭-এর ২২ শে ডিসেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক পৃথক দল হিসাবে আত্মপ্রকাশের ঘোষণা। একই দিনে বিজেপি-র প্রতি মমতা ব্যানার্জির বন্ধুত্বের ফের ঘোষণা। আর তারপর, ২৮শে ডিসেম্বর বিজয়ওয়াদায় আদবানী একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেদিন তিনি বলেন,‘‘কেন্দ্রে বিজেপি-র সরকার হলে আইন করেই অযোধ্যায় রামমন্দির বানানো হবে।’’ মমতা ব্যানার্জি কোনও বিরোধিতা করেননি। বরং তাদের সঙ্গে জোট বেঁধেই নির্বাচনে লড়েছিলেন। এই অবস্থানকে সেদিনই রাজ্যের ভবিষ্যতের পক্ষে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছিল সিপিআই(এম)।
মমতা ব্যানার্জিকে কংগ্রেস বহিষ্কার হয়েছিলেন ১৯৯৭-র ২২শে ডিসেম্বর। সেদিন সাসপেন্ড করা হয়েছিল মমতা ব্যানার্জির দুই ঘনিষ্ট সুদীপ ব্যানার্জি এবং শোভনদেব চ্যাটার্জিকে। সেই বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল সন্ধ্যায়। তার আগে সেদিন দুপুরে দু’টো নাগাদ কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন মমতা ব্যানার্জি। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন যে,‘তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হলো। তারা আলাদা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে আলাদা প্রতীকের জন্য আবেদন করা হবে।’
সেই সঙ্গে সেদিনই আর একবার স্পষ্ট করে দেন যে, বিজেপি-র সঙ্গে জোট বেঁধেই তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে চান। আর সাম্প্রদায়িকতা? মমতা ব্যানার্জি সেদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, যা তিনি তার আগে প্রায় মাস পাঁচেক ধরে বলছিলেন,‘‘সাম্প্রদায়িকতা নন-ইস্যু। বিজেপি অচ্ছুৎ নয়। এত লোক ওদের ভোট দিচ্ছে।’’ অর্থাৎ দুটি বৈশিষ্ট্য তৃণমূল গড়ে ওঠার ভিত্তি। প্রথমত, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা কমিউনিস্ট বিরোধী। বামপন্থার শত্রু। দ্বিতীয়ত, বিজেপি-র স্বাভাবিক মিত্র, জন্মের সময় থেকেই।
আরএসএস-এর সঙ্গে মমতা ব্যানার্জির সম্পর্ক মধুর। ২০০৩-র ১৫ই সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে আরএসএস-কে ‘সত্যিকারের দেশপ্রেমিক’ বলে বর্ণনা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আরএসএস একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে সেদিন মোহন ভাগবতের পাশাপাশি তিনিও আমন্ত্রিত ছিলেন। সেখানেই তিনি আবেদন জানান,‘‘যদি আপনারা(আরএসএস) ১ শতাংশ সাহায্য করেন, আমরা কমিউনিস্টদের সরাতে পারবো।’’ তিনি আরও বলেছিলেন,‘‘আপনারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। আমি জানি আপনারা দেশকে ভালোবাসেন...’’। তৃণমূল নেত্রীর সেদিনের বক্তব্যে আরএসএস সেদিন খুবই উৎসাহিত হয়েছিল। তাই বিজেপি-র রাজ্যসভার সাংসদ বলবীর পুনী ওই সভাতেই বলেছিলেন,‘‘আমাদের প্রিয় মমতাদিদি সাক্ষাৎ দুর্গা।’’ সঙ্ঘের ‘সাক্ষাৎ দূর্গা’র শাসনে রাজ্যে আরএসএস বাড়তে পেরেছে। রাজ্যে সঙ্ঘ বেড়েছে। ২০১১-তে যা আরএসএস-র শাখা ছিল ৩৫০টির মত। তা হয়ে গেছে ১৪শোর বেশি। বেড়েছে সঙ্ঘের অন্যান্য সংগঠনগুলিও। জেলা, ব্লক, অঞ্চল মিলিয়ে রাজ্যে এখন বিশ্ব হিন্দু পরিষদেরও ১৫০০-র কাছাকাছি ইউনিট আছে। দক্ষিণবঙ্গে প্রায় ১২০০। বাকিটা উত্তরবঙ্গে। বেড়েছে বজরং দল, দূর্গা বাহিনী, বীরাঙ্গনা, রাষ্ট্র সেবিকা সমিতির মত সংগঠনের সদস্যও।
রাজ্যে এই ১৪ বছরে সঙ্ঘের স্কুলের ঢালাও অনুমোদন পেয়েছে। রাজ্যে আরএসএস-র প্রাথমিক স্কুল আছে ৩১৪। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গে আছে ১১০টি। শুধু গত তিন বছরে যে পাঁচটি বিদ্যালয় বেড়েছে — তার সবকটিই উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গে স্কুল এখনও ২১৪টিই। এই সময়ে সঙ্ঘের স্কুলগুলিতে বেড়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকাও। অনেক জায়গাতেই সঙ্ঘ একল বিদ্যালয়(একজন পরিচালিত) শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা সহযোগিতাও করছেন।
তৃণমূলের শাসনে রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর লাগাতার চেষ্টা করেছে। মমতা ব্যানার্জিও সরকারি উদ্যোগে রাজ্যে হিন্দুত্বর প্রচারে, দুই ধরণের সাম্প্রদায়িক শক্তির বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।
তবে এই প্রশ্নে সামাজিক বাতাবরণ গুরুত্বপূর্ণ। বামফ্রন্ট সরকারের সময়কালে, বিশেষত দেশে নয়া উদারনীতির প্রয়োগের শুরু হওয়ার পর গ্রামে এক নব্য ধনী অংশের উত্থান দেখা যায়। হিন্দুত্বের পুনরুত্থানে এই অংশটি প্রধান মাধ্যম হয়েছে। ২০১১-র আগে এরা হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের ভরসা। বর্তমানে হিন্দুত্ববাদী মনোভাবের এরাই প্রধান বাহক। এই অংশে পুরুষরা যেমন আছেন, তেমনই আছেন মহিলারা।
ছবি কৃতজ্ঞতা -সোশ্যাল মিডিয়া
প্রকাশ: ০৪-সেপ্টেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 04-Sep-25 19:09 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/sangh-womens-struggle-10
Categories: Fact & Figures
Tags: communal polarisation, communalviolence, mamata rss, rss bjp tmc nexus, woman struggle
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (148)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (131)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
বাংলার বিকল্প পরিবেশ ভাবনা ও উন্নয়নের অভিমুখ
- সৌরভ চক্রবর্ত্তী
পশ্চিমবাংলার ক্রীড়ানীতি ও বিপল্প প্রস্তাব
- সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনা
- নন্দিনী মুখার্জি
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
- ওয়েবডেস্ক





