অধিকার,অঙ্গীকারে 'বাংলা বাঁচাও যাত্রা'

এম.এন.সাদি
পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৬০ লক্ষ। কেরল, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্ণটিক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ওড়িশা , দিল্লি,তেলেঙ্গানা এইসব রাজ্যে গড়ে প্রায় ৬লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক আছেন। উল্লেখ্য গোয়াতে সরকারি নথিপত্রে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ২.২০ লক্ষ।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার চৈতন্যবাদী চেতনায় শ্রমজীবি মানুষ সম্পর্কে লেখেন--
ওরা কাজ করে
দেশে দেশান্তরে,
অঙ্গ-বঙ্গ- কলিঙ্গের সমুদ্র নদীর ঘাটে ঘাটে
পাঞ্জাবে,বোম্বাই গুজরাটে।
দিন রাত্রে গাঁথাপাড় দিন যাত্রা করিছে মুখর।
দু:খ সুখ দিবস রজনী
মন্দ্রিত করিয়া তোলে জীবনের মহামন্ত্রধ্বনি।
শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ পরে
ওরা কাজ করে।
পৃথিবীব্যাপী শ্রমজীবি মেহনতি মানুষের উপর অন্যায় ও অত্যাচারের বীভৎস দৃশ্য অত্যন্ত দু:খের সাথে কবি লক্ষ্য করেছেন। তিনি সুষ্পষ্টভাবে অনুধাবন করেন যে মেহনতি মানুষের রক্ত শোষণ করে একশ্রেণীর মানুষ তাদের স্বার্থকে চরিতার্থ করে চলেছে। এই বঞ্চিত,অত্যাচারিত, প্রাপ্য অধিকারহীন শ্রমজীবি মানুষের একটি বড় অংশ পরিযায়ী শ্রমিক।
পরিযায়ী শ্রমিকের জীবন যন্ত্রণার এই সময়ে বহু কবি, প্রাবন্ধিকের লেখায় উল্লেখিত হয়েছে। এক কবি তাঁর বিখ্যাত "নুন" কবিতার ক্যানভাসে শ্রমজীবি মানুষের জীবন বিপর্যয়,খাদ্যাভাব,অর্থাভাবে চরম দারিদ্র্য - সময়ের স্বরলিপি হয়ে প্রতিধ্বনির চিত্র এঁকেছেন।
তিনি লেখেন,
' চলে যায় দিন আমাদের অসুখে ধার দেনাতে--।
করোনা মহামারি আর তার কারণে অপরিকল্পিত লকডাউন সাধারণ মানুষের অভিধানে পরিযায়ী শ্রমিক শব্দের বহুল পরিচিতি ঘটিয়েছে।
পরিযায়ী শ্রমিকরা পৃথিবীজুড়েই পুঁজিতন্ত্রের উৎপাদন ও মুনাফার এক অত্যাবশ্যক উপাদান। সবচেয়ে সস্তা এবং অরক্ষিত শ্রমের উৎস এই পরিযায়ী শ্রমিক। ২০১১ সেন্সাস অনুযায়ী প্রায় ৬ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক আমাদের দেশে। ১৯৯০-২০০১ প্রতি বছরে ২.৪% এবং ২০০১-২০১১ সালে পরিযায়ী শ্রমিক ৪.৫% হারে বেড়েছে। বর্তমানে এই হার নিশ্চয়ই আরও বেশি। আমাদের রাজ্যে গ্রামে জেলায় দিন দিন কাজের সুযোগ কমছে, যার ফলেই পরিযায়ী শ্রমিকের বৃদ্ধি। পরিযায়ী শ্রমিকরা বাবা মা স্ত্রী পুত্র ঘরবাড়ি ছেড়ে ভিন রাজ্যে বাধ্য হয়ে পাড়ি দেওয়া শ্রমিক সবচেয়ে অরক্ষিত। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খাতায়-কলমে এদের কোন অস্তিত্ব নেই। তাই প্রচলিত শ্রম আইনগুলি এদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সরকারের এবং নিয়োগকর্তার কোন দায় নেই। সেই জন্য এই শ্রমিকরা অদৃশ্যও বটে। যাদের ইচ্ছে করলেই নিয়োগ করা হবে আবার ছাঁটাইও করা যাবে। কেরলে নির্দিষ্টভাবে ন্যূনতম মজুরি এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প থাকলেও ভারতবর্ষের অন্য কোনো রাজ্যেই এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেই। সামজিক সুরক্ষা বলে কিছু নেই। অরক্ষিত অবস্থায় বহু ক্ষেত্রে বিশেষ করে নির্মাণ শিল্পে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। মৃত্যু মিছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের লেগেই আছে। মৃতদেহ আনার ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন উদ্যোগ নেই। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ওয়েলফেয়ার বোর্ড তৈরি হলেও তার কোন কার্যকরী রূপ এখনো পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্পর্কে বিজেপি ও টি এম সি পরিচালিত দুই সরকারের শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গির নিষ্ঠুর চেহারার প্রকাশ পায়,করোনা কালে। মুখ্যমন্ত্রীর কদর্য কটুক্তি,সংসদে করোনায় মৃত শ্রমিকের তালিকা চেপে রাখার বিজেপি সরকারের নিকৃষ্ট চেষ্টা । পাশাপাশি বিকল্প নীতিতে চলা কেরালার বামপন্থী সরকার সে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের অতিথির মর্যাদা দেয়,সামাজিক সুরক্ষা,মজুরী নিশ্চিত করে। রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরে এসে বামপন্থী সরকারের প্রসংশা করে। অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে কর্পোরেট পুঁজি নিয়ন্ত্রিত দুই সরকারের নির্মম,নিষ্ঠুর চেহারা আমরা দেখেছি।
পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৬০ লক্ষ। কেরল, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্ণটিক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ওড়িশা , দিল্লি,তেলেঙ্গানা এইসব রাজ্যে গড়ে প্রায় ৬লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক আছেন। উল্লেখ্য গোয়াতে সরকারি নথিপত্রে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ২.২০ লক্ষ। মূলত হোটেল-রেস্তোরাঁ রিসর্ট এবং নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে বেশিরভাগ যুক্ত।
পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের প্রায় ৯০% সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। নদিয়া মুর্শিদাবাদ আর মালদা জেলার শ্রমিকরা সংখ্যাধিক্য।
মূলত নির্মাণ, দর্জি, জরি, জুয়েলারি, সার্ভিস সেক্টর, গৃহপরিচারিকা ইত্যাদি কাজের সঙ্গে বেশিরভাগ পরিযায়ী শ্রমিক যুক্ত।
কিছু সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিক পরিবার সহ বছরের বেশিরভাগ সময় থাকেন। উৎসবের সময় তারা বাড়ি আসেন। পরিবারের মহিলারা গৃহ সহায়িকার কাজ করেন।
আমাদের রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দ্রুত হারে বাড়ছে। গ্রামের কৃষকের কাজ দ্রুত হারে কমছে। সাধারণ মানুষ ক্রয় ক্ষমতা হারাচ্ছে। ২০১১ সালের পর এ রাজ্যে ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বৃহৎ শিল্পে কোন বিনিয়োগ নেই। কোন ভারি শিল্প হয়নি।মন্ত্রী, বিধায়ক যোগে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, রাহাজানি, নারী নির্যাতন, ক্রমবর্ধমান বেকারী ,সন্ত্রাস-দমনপীড়নে গণতন্ত্র হত্যায় আজ এগিয়ে বাংলা।
পশ্চিমবঙ্গে অনুৎপাদক ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। বহু ছোট, মাঝারি কারখানা বন্ধ হবার দরুন বেকার এবং বেরোজগারি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নব্য বেকার যুবক দিশাহীন রাজ্যের মধ্যে, নিজের এলাকায়, জেলার মধ্যেও কর্মসংস্থান নেই। একান্ত নিরুপায় হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ জেনেও যেতে বাধ্য হচ্ছেন এ বাংলার শ্রমিকরা। এক কথায় পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি তলানীতে এসে ঠেকেছে।
দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে এই পরিযায়ী শ্রমিকদের অবদান সবচেয়ে বেশি। পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রতিমাসে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা পরিবারকে পাঠায়, এই টাকায় নদিয়া,মুর্শিদাবাদ,মালদহ জেলা সহ গ্রাম বাংলার অর্থনীতি সচল রাখে । বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রতি মাসে পরিযায়ী শ্রমিকরা রেমিট করছেন এই রাজ্যে।পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা রক্ষার স্বার্থে চারদশক আগে আইন প্রণয়ন হলেও তা যথেষ্ট নয় এবং বেশিরভাগ রাজ্যে কার্যকরী হয়নি। আমাদের ধারণা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৬০ লক্ষাধিক। ১৯৭৯ মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার এ্যাক্ট থাকলেও ঠিকাদারী এজেন্সিগুলি তার কোনো তোয়াক্কা করেন না। এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রমদপ্তর এ বিষয়ে উদাসীন। লকডাউনের পরের দিন থেকে রাজ্য সি আই টি ইউ যেভাবে গোটা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল, সরকার তার বিন্দুমাত্র ভূমিকা পালন করেন নি। দেশের সরকার হঠাৎ করে লক ডাউন জারি করে তাদের অকুল পাথারে ফেলে দিয়েছিল, আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাদের করোনা এক্সপ্রেস বলে নিষ্ঠুর উপহাস করেন।
তাদের ঘরে ফেরার নির্মম ছবি আজো আমাদের চোখে জল আসে।রেল লাইনের উপর পোড়া রুটি, রক্তের দাগ, আর সারি সারি লাশের সেই ছবি সরকারের নির্লজ্জ চেহারা আজও মনে করিয়ে দেয়।গরু ছাগলের মতো লরিতে ফেরা।রেল স্টেশনে মায়ের কোলে ছেলের লাশ।
আর রাজ্যে ফিরে বন্ধ নোংরা স্কুল বাড়িতে বন্দিজীবন দশা।
স্নেহের পরশের নামে ধোঁকাবাজি। পাঁচ হাজার টাকার জন্য কোন পরিযায়ী শ্রমিক এ রাজ্যে ফিরতে রাজি নয়। পরিযায়ী শ্রমিকরা ন্যূনতম ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা রোজগার করে।শেষ পর্যন্ত এই রাজ্যেও সি আই টি ইউ সহ বামপন্থী দল ও বিভিন্ন সংগঠন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। লড়াই করেছেন তাদের সাথে নিয়ে । গড়ে উঠেছে ওয়েষ্ট বেঙ্গল মাইগ্রান্ট ওয়ার্কাস ইউনিয়ন। নদিয়া জেলাতেও এই সংগঠন প্রথম থেকেই ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের রুটি রুজি জীবন জীবিকার পাশে আছে, এমনকি এই জেলায় তাদের পরিবারের সদস্যদের পাশে থেকেছে।
নদিয়া জেলার প্রায় পাঁচ লক্ষ শ্রমিক ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক। এদের বেশিরভাগই সংখ্যালঘু ও তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষ।বয়সে খুব কম।১৮থেকে ৪০ বছরের। কেউ সদ্য বিবাহ করেই বা শিশু পুত্র কন্যাদের ছেড়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন।
এদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।ফেরি হকার, হোটেল কর্মী, অলঙ্কারের কাজ করেন।
বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এরা মারা গেলে দেহ আনার সমস্যা হয়। সেই সময় ও সি আই টি ইউ সাধ্যমত চেষ্টা করেছে। সম্প্রতি উত্তর পূর্ব ভারতে রেল ক্যানেলের কাজ করতে গিয়ে নদিয়ার চাপড়া তেহট্টের শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে।
আবার সম্প্রতি বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা বলে বাঙালি শ্রমিকদের উপর ওড়িশা,হরিয়ানা সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যে বজরং দল সহ সংঘের বিভিন্ন সংগঠনের শারীরিক আক্রমন নেমে এসেছে। সংখ্যালঘু ,বাংলাভাষীদের বাংলাদেশী বলে পুলিশ নিগ্রহ করেছে, গ্রেফতার করেছে। বেআইনীভাবে জোর করে সীমান্ত পারে পাঠিয়ে দিয়েছে। সোনালি বিবিদের লড়াই রাজ্যের তৃণমূল সরকারের নির্লজ্জ ভূমিকার নগ্নরূপ রাজ্যবাসী দেখেছে।
ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্যে পৌঁছে গেছে,সি আই টি ইউ সহ বামপন্থী কর্মীরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে সেই রাজ্যের সি আই টি ইউ র সহায়তা নিয়ে।
ওড়িশায় কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকের শিশুকন্যা তামান্নাকে নদিয়ার কালিগঞ্জ এর উপনির্বাচনে শাসকদলের জয়ের উল্লাসে বোমা মেরে নিষ্ঠুরভাবে খুন করে তৃণমূলের ঘাতক বাহিনী। শহীদ কন্যার মা তৃণমূল সরকারের কাছে দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি করে,যা আজও হয়নি। তামান্নার মা ইনসাফ পায়নি। ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে,চোখে যুদ্ধের দৃঢ় সম্মতি নিয়ে নিজেদের হক ও তামান্নার খুনের ইনসাফ চেয়ে সপরিবারে পরিযায়ী শ্রমিকরা অংশ নেবেন নদিয়া জেলার বাংলা বাঁচাও যাত্রায়।
গত ২৮শে নভেম্বর কোচবিহারে সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং পল্লীকবি আব্বাসউদ্দীনকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয়েছে বাংলা বাঁচাও যাত্রা। জনকল্লোলে প্লাবিত লক্ষ মানুষের অংশগ্রহণে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা পাড় করে ১০ই ডিসেম্বর নদিয়ার করিমপুরে দোগাছিতে এই বাংলা বাঁচাও যাত্রা প্রবেশ করবে। নানাবিধ সমস্যা,দুর্নীতি,বেরোজগারী,শ্রমিক ও শ্রমজীবীদের কাজ,মজুরী,সামাজিক সুরক্ষা,নদী ভাঙ্গনরোধ,স্থানীয় উন্নয়নের দাবি,কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলচালু,নদী ও জলাভূমি সংস্কার ও নদী- পরিবেশ দূষণরোধের দাবিতে,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা,মেরুকরণ রাজনীতির বিরুদ্ধে,পলাশী সুগার মিল চালুর দাবি ও নুতন শিল্পের দাবিতে,কৃষকের ফসলের দাম,ক্ষেত মজুরের মজুরী বৃদ্ধি ও একশদিনের কাজ,ভোটার অধিকার সুরক্ষা সহ অন্যান্য দাবিতে
বাংলাকে বাঁচানোর অঙ্গীকার নিয়ে এই কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যে প্রচার কর্মসূচিতে সামিল হয়েছে সমস্ত জেলার গণসংগঠন, হাজারো মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকরাও এই কর্মসূচি সফল করতে যোগ্য ভূমিকা নিচ্ছেন।
আপনি ও আপনারাও আসুন,সপরিবারে যোগ দিন আগামী দিনে সুখী,সমৃদ্ধ বাংলা গড়তে,বাংলাকে এই লুটেরা,জল্লাদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলা বাঁচাও যাত্রা কর্মসূচিতে।
প্রকাশ: ১২-ডিসেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 11-Dec-25 22:10 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/rights-in-the-pledge-of-bangla-bachao-yatra
Categories: Fact & Figures
Tags: bjp, covid-19 lockdown migrant workers farmers mnrega, migrant labour, migrantworkers, tmcgovtwb
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (147)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (130)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
বাংলার বিকল্প পরিবেশ ভাবনা ও উন্নয়নের অভিমুখ
- সৌরভ চক্রবর্ত্তী
পশ্চিমবাংলার ক্রীড়ানীতি ও বিপল্প প্রস্তাব
- সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনা
- নন্দিনী মুখার্জি
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
- ওয়েবডেস্ক





