মুক্তির লক্ষ্যে সংগ্রাম ও এক কবি

অধিকার কারুর করুণায় পাওয়া যায় না। বেঁচে থাকতে গেলে মানুষের বাস্তব অধিকারগুলিকে সুনিশ্চিত করতে হয়।

‘আমি শিশুদের মৃত্যু চাই না।
আমি চাই, যতক্ষণ না যুদ্ধ শেষ হচ্ছে শিশুদের আকাশ আশ্রয় দেওয়া হোক।
পরে তারা নিরাপদে বাড়ি ফিরলে মা বাবা জিজ্ঞেস করবে,
এতক্ষণ কোথায় ছিলি?
ওরা বলবে, আমরা মেঘের ওপর খেলছিলাম।’
ঘাসান ফইজ কানাফানি
অফিসিয়াল রিপোর্ট বলছে ৭ই অক্টোবর, ২০২৩ এর পর থেকে ৬৫০০০ মানুষ এবং যার ৩০০০০ এর কাছে শিশু ইজরায়েলি হানাদারদের আক্রমণ মৃত। ল্যানসেট জার্নালের গবেষণা অনুযায়ী সংখ্যাটা এর ৫ গুণের বেশি হতে পারে।
আমরা পড়েছি সাম্রাজ্যবাদ হল পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর। একথাও জানা যে ঔপনিবেশিক প্রকল্প সাম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে নির্লজ্জ চেহারা।
ঔপনিবেশিক শাসক একটা ভূখণ্ডের সমস্ত মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে সস্তা শ্রমের যোগানের ব্যবস্থা করে নেয়। কিন্তু ইজরায়েলি হানাদারি প্রকল্পকে সাধারণ ঔপনিবেশিক শাসনের আওতায় ফেলা বেশ কঠিন।
এরা চাইছে একটি ভূখণ্ড। সেখানকার মানুষদের দাস বানিয়ে রাখতে পারলে এরা খুশি। কিন্তু এদের মূল লক্ষ্য তাদের একেবারে দূর করে দেওয়া।
সোভিয়েত দেশটি বর্বর বুনোদের দেশ, গরু দিয়ে চাষ করে, কোনও যন্ত্রপাতি, সভ্যতা নেই এমন ভাষ্যে বিশ্বাস করার পর সারা ইউরোপ জুড়ে দাদাগিরি করা নাৎসিরা যখন প্রথমবার সোভিয়েত ইউনিয়নের সামনেই ব্যাপক বাধা পেল, তাদের স্লাভিক জাতির পশ্চাদপদতা সম্পর্কে যাবতীয় ভুল ধারণা ভেঙে গেল। ভীষণ রাগে অন্ধ হিটলার আদেশ দিল গণহত্যার। এতদিন যে লেবর ক্যাম্পগুলো নাৎসি বাহিনীর যুদ্ধে সস্তা শ্রম দিচ্ছিল, সেখানে মানুষ মারা আরম্ভ হল। অপরিণামদর্শী হিটলার নিজের পতন ডেকে আনল শ্রমশক্তিকে নিজের হাতে খুন করে।
এই একই জিনিস প্যালেস্তাইনে চলত, গাজায় তো বটেই। নিজেদের উৎপাদিত সামগ্রী বাইরে বিক্রি করার উপায় নেই গাজার ছোট উৎপাদনকারীদের। সে ব্যবসার নিয়ন্ত্রক দখলদার ইজরায়েল। প্যালেস্তাইনের মানুষ নিয়মিত একই কাজে নিযুক্ত ইজরায়েলি কর্মীর চাইতে ৫০% কম বেতন পেয়েছেন। এই হল ঔপনিবেশিকতার পুরানো অভ্যাস। এর সাথে জায়নবাদী প্রকল্পের উন্মাদনা যুক্ত হয়ে এক অদ্ভুত আকার নিয়েছে। সস্তা শ্রমের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল মানুষকে সরাসরি ভূমিহীন করে দেওয়া। ইজরায়েল এমনই এক ঔপনিবেশিক শাসক যাদের নিজস্ব বৃহৎ পরিমাণে উৎপাদনের বিশেষ প্রয়োজন নেই। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ পাশে রয়েছে, নিজেদের স্বার্থেই। এমন বাজারে নিজেদের বর্ণবিদ্বেষী, জায়নবাদী আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করাই চলে।
যাই হোক।
১৯৪৮ সালে নাকবার পর থেকে ইজরায়েলের বিস্তার প্রকল্প প্রায় কখনই থামেনি বরং এক একটা পর্যায়ে এসে মারাত্মক উৎসাহে হঠাৎ বৃহত্তর আকার নিয়েছে।
একদল মানুষ যারা উদ্বাস্তু শিবিরে জন্মেছেন, জীবন কেটেছে তাড়া খেতে খেতে, কখনও বাবা, কখনও মা’কে তুলে নিয়ে গেছে হানাদার বাহিনী- তাদের মধ্যে প্রতিরোধের বীজ তৈরি হয়ে যায়। প্যালেস্তাইনের সংস্কৃতি, সাহিত্যের মধ্যে প্রতিরোধের ভাষা সবসময়েই মূর্ত। ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে সমষ্টির ঊর্ধ্বে না হলেও ব্যক্তিরও গুরুত্ব রয়েছে। রুশ পরিস্থিতি একসময় লেনিনের বিপ্লবী তত্ত্বের জন্ম দিতই। সেটা ভ্লাদিমির ইলিচের মধ্যে দিয়ে না হয়ে অন্য কারোর মধ্যে দিয়ে হত। হয়তো সময়ের কিছু এদিক ওদিক হত। একে নির্ধারণবাদ বলে না, এ হল ইতিহাসের বিজ্ঞান, ‘রোল অফ ফোর্স ইন হিস্ট্রি’।
ঘাসান কানাফানি তেমনই একজন। প্যালেস্টাইনের নিপীড়িত মানুষের যন্ত্রণার অন্যতম ফসল কানাফানি।
ঘাসান কানাফানি
১৯৩৬’এ ব্রিটিশ কলোনি ম্যান্ডেটরি প্যালেস্টাইনে জন্ম। ১৯৪৮’এ জায়নবাদী হানাদারদের কাছে পরাজিত হয়ে উদ্বাস্তু অবস্থায় দামাস্কাসে চলে যাওয়া, সেখানেই লেখাপড়া। তার রাজনৈতিক চেতনা, সহজ ভাষায় অর্গ্যানিক। উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া নয়। ‘সমাজতন্ত্র ভাল, অতএব সমাজতন্ত্রী হবো’- এমন অবস্থান থেকে তিনি লড়াইতে আসেননি। আরব জাতীয়তাবাদের প্রতি আকর্ষণ, বুর্জোয়া আরব জাতীয়তাবাদীদের ক্রমান্বয়ী পদস্খলন ও দ্বিচারিতা প্রসঙ্গে অভিজ্ঞতার সঞ্চয়ই তাকে মার্কসবাদ-লেনিনবাদের দিকে টেন আনে।
এডওয়ার্ড সাইদের মতে প্যালেস্টাইনের সাহিত্যকে শ্রেষ্ঠত্বে তুলেছিলেন তিনি। প্রতিরোধের সাহিত্য/ রেজিস্ট্যান্স লিটারেচার/ আদাব আল মুকাওয়ামা শব্দবন্ধের স্রষ্টা তিনি। আসলে মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধের প্রবল সমর্থক কানাফানি নিপীড়িত মানুষের সংস্কৃতি গড়ে তোলার দিকে জোর দিতেন। ঔপন্যাসিক হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি থাকলেও তার লেখার কারণ ছিল ঐ সংস্কৃতির প্রসার। এতে কোথাও আন্তনিও গ্রামসির ভাবনার ছোঁওয়া পাচ্ছি কিনা ভেবে দেখা চলে। কানাফানি মনে করতেন নিছক লড়াই যথেষ্ট নয়, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও লড়াই প্রয়োজন। তাঁর স্ত্রী অ্যানি বলছেন, কানাফানি সবসময়ে মহাব্যস্ত হয়ে লেখালিখি করতেন যেন হাতে খুব বেশি সময় বেঁচে নেই।
জায়নবাদী দুষ্কৃতীদের গাড়ি বোমার কল্যাণে তাঁর জীবন শেষ হয় মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই।
- ঘাসান কানাফানি
প্যালেস্তাইনের মুক্তি চেতনার সার হয়ে উঠেছিলেন কানাফানি। পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ প্যালেস্টাইনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার তিনি। লেনিনের ভাষায় পরিস্থিতির মূর্ত বিচারে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন। ভি আই লেনিন, মাও সে তুং , হো চি মিন, নুগ্যুয়েন গিয়াপ, লুকাচের দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
কানাফানি চেয়েছিলেন পিএফএলপি’কে সুসংগঠিত বিপ্লবী বাহিনী করে তুলতে। আরব প্রেক্ষাপটে মার্কসবাদ লেনিনবাদের সফল প্রয়োগ প্যালেস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের সবচেয়ে গতিশীল, বিপ্লবী অংশ হিসাবেই পিএফএলপি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। সন্ত্রাসবাদ নয়, ব্যক্তিহত্যা নয়।
পশ্চাদপদ আরব সমাজে বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদের বুলি সহজেই কপচানো যেত। যার শেষ মূলত বোঝাপড়া করে নেওয়ায়। কানাফানি চেয়েছিলেন ঐ সংগঠন ভবিষ্যতের বিপ্লবোত্তর মুক্ত প্যালেস্টাইনের সংস্কৃতির এক ক্ষুদ্র সংস্করণ হয়ে উঠুক। পশ্চাৎপদতার বিরুদ্ধে সংগঠনের সদস্যরা প্রধান যোদ্ধা হয়ে উঠুক। অসলো চুক্তির বিশ্লেষণ করে তিনি বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদের সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে দেখিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন এক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, যেখানে সমস্ত সংখ্যালঘুর অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। দ্বিখণ্ডিত রাষ্ট্রব্যবস্থা তিনি চাননি, কদাচিৎ ইজরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে গেলেও পিএফএলপির এই নীতি আজ অবধি অটুট রয়েছে। অধিকার কারুর করুণায় পাওয়া যায় না। বেঁচে থাকতে গেলে মানুষের বাস্তব অধিকারগুলিকে সুনিশ্চিত করতে হয়।
পিএফএলপির একটি অংশের হঠকারিতা তাদের প্রকল্পে সমস্যার সৃষ্টি করে। এদের সঙ্গে ‘জাপানি লাল ফৌজ’ (যারা মুখে সমাজতন্ত্র ইত্যাদি বলেও, কাজে সন্ত্রাসবাদী) যোগ দেয়। ১৯৭২ সালে তারা লড বিমানবন্দরে আক্রমণ করে, জায়নবাদী দুষ্কৃতীরা অজুহাত পেয়ে যায়।
বেইরুটে গাড়িতে বোমা রেখে তাকে আর তার এক অপ্রাপ্তবয়স্ক আত্মীয়াকে খুন করা হয়। যদিও কানাফানিকে খুন করার প্রয়োজনের কথা গোলডা মেয়ারের মুখে আগেই শোনা গেছে। সংগ্রামী চেতনার সবচেয়ে কার্যকর মস্তিষ্কগুলিকে সরিয়ে দেওয়ার এমন কায়দাকেই বারুচ কিমার্লিং ‘পলিটিসাইড’ বলে অভিহিত করেছেন।
‘দেখবে হঠাৎ নয়ন খুলে, হয় না যেটা, সেটাও হবে।’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ইজরায়েলের সমস্যার জায়গাটা অদ্ভুত। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্পায়িং ব্যবস্থা। গাজার মাথার ওপর সমানে চক্কর কাটছে মার্কিন, ফরাসী, ব্রিটিশ, জার্মান স্পাই বিমান। গর্তের মধ্যে লুকিয়ে একটু নড়াচড়া করলে তাদের নজরে পড়ার কথা। এর মধ্যে প্যালেস্টাইনের যোদ্ধারা কী করে, কোন সাহসে ভর করে ট্যাংকে বেয়ে উঠে তার মধ্যে হাতে গড়া বোমা ফেলে দিয়ে আসছে তারাই জানে!
গাজায় একসময়ে কানাফানির রাজনীতি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠেছিল। পরে ইজরায়েল নেতৃত্ব নিজেই এদের দুর্বল করার জন্য মুসলিম ব্রাদারহুডের ভেঙে আসা একটা অংশকে অর্থ সাহায্য করতে থাকে— যাদের নাম হামাস। বর্তমান লড়াইয়ে পিএফএলপি সক্রিয় ভূমিকা নিলেও তাদের প্রভাব কম। তারা জন্ম থেকেই যোদ্ধা, মৃত্যুভয় নেই। শেষ আশ্রয় হিসেবে জমি বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমেছেন। গাজা ভূখণ্ডের প্রতিটি পাথরের টুকরোকে শত্রুর বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে জানেন।
ইজরায়েলের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম দিকের নেতৃত্ব খুবই স্পষ্ট ভাষায়, ‘আমরা উপনিবেশকারী, ওদের পশুর মত খেদিয়ে দিতে হবে’, এই ভাষ্য প্রচার করে গেছে। অতএব ইজরায়েলের স্নাইপারের পক্ষে শান্তিপূর্ণ মিছিলের দিকে নিশানা করে ‘আজ এতগুলো হাঁটু অকেজো করে দিয়েছি’ ধরণের কথা বলে গর্ব অনুভব করা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
আপাতত গাজার জমির তলায় প্রাকৃতিক গ্যাস, গাজায় মার্কিন ধনকুবেরদের রিসর্ট বানানোর মতো বহু পরিকল্পনা হয়তো আছে। এর মধ্যেই লেবানন ও সিরিয়ার কিছু অংশ দখল করে গ্রেটার ইজরায়েল প্রকল্পর কথা সাড়ম্বরে ঘোষণা করছে ইজরায়েলি রাজনীতিবিদরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প হলেও ইজরায়েলের নিজস্ব এজেন্ডা রয়েছে, চূড়ান্ত বর্ণবিদ্বেষী, উন্মাদগ্রস্থ কর্মসূচি। ইহুদী ঐতিহাসিক আভি শ্লেইম স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন ইজরায়েল কীভাবে শ্বেতাঙ্গ নন এমন ইহুদীদের জীবনের জন্য ন্যূনতম তোয়াক্কাও করেনি এবং তাদের প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে শেষ করতে চেয়েছে। এ কথা স্বীকার করতে কোনও বাধা নেই ইজরায়েল আসলে একটি শ্বেতাঙ্গ ঔপনিবেশিক প্রকল্প।
দিব্যি ছিল।
কাতার, আমিরশাহী আর সৌদির রাজপরিবারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে, বুর্জোয়া আরব জাতীয়তাবাদের দুর্বলতাকে প্রকাশ করে দিয়ে দিব্যি ছিল। এসমস্ত রাজপরিবারগুলিও মার্কিন নিরাপত্তা পাওয়ার খাতিরে ইজরায়েলের সঙ্গে এতটুকুও ঝামেলায় যেত না। কিন্তু দোহায় শান্তিচুক্তির উদ্দেশ্যে বসা বৈঠকে যোগ দেওয়া হামাস নেতৃত্বের উপর বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েল এই মার্কিন ধামাধারীদেরকেও চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
কেন এত কথা?
কারণ, ইজরায়েল কোনও ‘সাসটেইনেবল’ প্রকল্প নয়। প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা আক্ষরিক অর্থে এক বিপ্লব। মাটিতে সংগ্রাম এবং মগজে-চেতনায় বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক মানোন্নয়ন ব্যতীত এ কাজ সম্ভব না।
এখানেই বোঝা যায় কেন ভিয়েতনাম কানাফানিকে এত প্রভাবিত করত।
মার্কসবাদ-লেনিনবাদের শিক্ষার্থী হিসাবে আমরা মানব সভ্যতাকে গতিশীল বিষয় হিসাবে দেখি। ইতিহাসের শিক্ষা এই যে ইজারায়েলের মতো এমন চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়াশীল কোনও প্রকল্প চলতে পারে না, এর পতন অবশ্যম্ভাবী।
কবে সেকথার উত্তর ইতিহাসই দেবে।
মুক্ত প্যালেস্তাইনে ঘাসান ফইজ কানাফানির চেতনা প্রাসঙ্গিক থাকবে, এ বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত থাকাই চলে।
এহেন নিশ্চয়তাও ইতিহাসের বস্তুবাদী বৈশিষ্ট, তাই অমন প্রত্যাশা’কে আকাশ-কুসুম কিছু ভাবতে নেই।
তথ্যসুত্রঃ
- Ripe for Abuse, Palestinian child labour in Israeli agricultural settlements in the West Bank.
- Israel's exploitation of Palestinian labour: A strategy of erasure, Al Shabaka.
- Palestinian workers in Israel caught between indispensable and disposable, MERIP.
- Three Worlds: Memoirs of an Arab Jew, Avi Shlaim.
- Israel: ‘Deliberate attempts’ by military to kill and maim Gaza protesters continue, Amnesty International.
প্রকাশ: ১৮-সেপ্টেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 18-Sep-25 09:11 | by 2
Permalink: https://cpimwestbengal.org/better-to-reign-in-hell-than-serve-in-heaven-a-poet’s-struggle
Categories: International
Tags: colonialhistroy, democracy, democraticright, imperialism, us imperialism
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (147)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (130)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)





