১৮৫৭ মহাবিদ্রোহ- স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রথম স্ফুলিঙ্গ

পারভেজ রহমান
নতুন রাইফেলের কার্তুজ গুলোতে শূকর ও গরুর চর্বি মাখানো হয়েছে, যা মুসলিম ও হিন্দু উভয়ের কাছেই আপত্তিকর। এটি জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পটভূমি রচিত হয়েছিল বিভিন্ন কারণে, যদিও সব ক্ষেত্রেই ব্রিটিশদের দ্বারা ভারতীয়দের নির্মম শোষণ ছিল সাধারণ বিষয় ।
লর্ড ডালহৌসি কর্তৃক প্রবর্তিত "স্বত্ববিলোপ নীতি"র মাধ্যমে সাতারা, ঝাঁসি এবং নাগপুরের মতো উত্তরাধিকারীবিহীন রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করা হয়েছিল। দুঃশাসনের' অভিযোগে ১৮৫৬ সালে অওধকে দখল স্থানীয় অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল । ভারতীয় শাসকদের ক্ষমতাহীন করা হয়েছিল; বাহাদুর শাহ জাফর দ্বিতীয়র উত্তরসূরিদের লালকেল্লায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল । জমিদার, ভূস্বামী এবং রাজপুত্ররা তাদের ভূসম্পত্তি হারিয়ে আভিজাত্য হারিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল | পাশাপাশি ব্রিটিশরা ভারতের সম্পদকে লুঠ করে ব্রিটেনে পাচার করতে থাকে | চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, মহলওয়ারি এবং রায়তওয়ারি আইনের অধীনে অতিরিক্ত কর আরোপের ফলে কৃষকদের হাত থেকে জমি চলে যেতে থাকে | ব্রিটিশদের যন্ত্রনির্মিত পণ্য এদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পকে ধ্বংস করে দেয়, কারিগরদের কর্মহীন করে তোলে এবং ভারতকে ব্রিটিশ আমদানির উপর নির্ভরশীল করে তোলে | চাকরির নিম্নমানের শর্ত ও পেনশন, কম বেতন, পদোন্নতির অভাব এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের ক্রমবর্ধমান সাংস্কৃতিক ও জাতিগত সংবেদনশীলতার অভাব—এই সব কারণ বেঙ্গল আর্মির ভারতীয় সৈন্যদের মধ্যেও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল।
সমাজে বারুদ স্তূপীকৃত হয়েছিল | প্রয়োজন ছিল একটি স্ফুলিঙ্গের | প্যাটার্ন ১৮৫৩ এনফিল্ড রাইফেল প্রবর্তন স্ফুলিঙ্গের কাজ করে । দ্রুত গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে নতুন রাইফেলের কার্তুজগুলোতে শূকর ও গরুর চর্বি মাখানো হয়েছে, যা মুসলিম ও হিন্দু উভয়ের কাছেই আপত্তিকর। এটি জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ, ব্যারাকপুরে, ৩৪তম বেঙ্গল নেটিভ ইনফ্যান্ট্রির সিপাহী মঙ্গল পান্ডে তাঁর অফিসারদের আক্রমণ করেন। যখন তাঁর সহসেনাদের তাঁকে নিবৃত্ত করার আদেশ দেওয়া হয়, তখন তাঁরা তা করতে অস্বীকার করেন। যদিও তাঁরা প্রকাশ্য বিদ্রোহে তাঁর সঙ্গে যোগ দেয়নি । মাত্র কয়েকজন সৈন্য জড়িত থাকা সত্ত্বেও পুরো রেজিমেন্টটিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সিপাহীরা এতে ক্ষুব্ধ হন । ১৮৫৭ সালের ১০ই মে মিরাটে বিদ্রোহটি পুরোদমে শুরু হয়েছিল। ৩য় বেঙ্গল লাইট ক্যাভালরির পঁচাশি জন সদস্যকে তাদের সহযোদ্ধারা কারাগার থেকে মুক্ত করে, কারণ তারা প্যাটার্ন ১৮৫৩ এনফিল্ড রাইফেল ব্যবহার করতে অস্বীকার করেছিল । তারা নিকটবর্তী সামরিক ঘাঁটিটি তছনছ করে এবং পথে খুঁজে পাওয়া সকল ইউরোপীয়কে হত্যা করে।
পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরের দিন, দিল্লি বিদ্রোহীদের দখলে চলে যায়। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যত্র আরও বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়। অবশেষে, বেঙ্গল আর্মির ১০টি লাইট ক্যাভালরি রেজিমেন্ট এবং এর ৭৪টি দেশীয় পদাতিক রেজিমেন্টের বেশিরভাগই এতে প্রভাবিত হয়।
মারাঠা পেশোয়া বাজি রাও দ্বিতীয়র পালিত পুত্র নানা সাহেব কানপুরে এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন | তান্তিয়া তোপে এই অভ্যুত্থানে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করেন, প্রথমে কানপুরে এবং পরে গোয়ালিয়রে রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের সঙ্গে ।
ঝাঁসিতে সিপাহীদের দায়িত্ব গ্রহণ করে রানী লক্ষ্মীবাঈ । তাঁর স্বামী রাজা গঙ্গাধর রাও-এর মৃত্যুর পর গভর্নর-জেনারেল লর্ড ডালহৌসি তাঁর দত্তক পুত্রকে বৈধ উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেন এবং ‘স্বত্ববিলোপ নীতি’ব্যবহার করে রাজ্যটি দখল করে নেন।
বিহারে এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জগদীশপুরের জমিদার কুঁয়ার সিং। সত্তরোর্ধ্ব বয়সেও, ব্রিটিশরা তাঁর জমিদারি কেড়ে নেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন |
আসামের মণিরাম দেওয়ান ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি এবং অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীরা একটি ঔপনিবেশিক-বিরোধী অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন, যেখানে দেওয়ান কলকাতা থেকে বিদ্রোহ পরিচালনা করেন এবং পিয়ালি বড়ুয়া আসামে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। ব্রিটিশরা বিদ্রোহের সাংকেতিক চিঠিগুলো আটক করে এবং দেওয়ান ও পিয়ালিকে গ্রেপ্তার করে।
বেগম হজরত মহল ছিলেন অওধের নবাবের স্ত্রী এবং লখনউয়ের বিদ্রোহের একজন নেত্রী। স্বামীর নির্বাসনের পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর পুত্র বিরজিস কদরকে অযোধ্যার নবাব হিসেবে ঘোষণা করেন।
শাহ মাল ছিলেন বর্তমান উত্তর প্রদেশের একজন কৃষক, যিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয় কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন এবং বণিকদের একটি বড় দলকে আক্রমণ করেছিলেন।
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বেরেলিতে, রোহিলা সর্দারদের বংশধর খান বাহাদুর ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন। ফৈজাবাদ থেকে মৌলভী আহমদুল্লাহ স্থানীয় বিদ্রোহে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন। রাজস্থানে জয়দয়াল সিং, হরদয়াল সিং বিদ্রোহের বিস্তারকে আরও তীব্র করে তোলে। সম্মিলিতভাবে, এই নেতারা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ব্যাপক ও ঐক্যবদ্ধ রূপদানে অবদান রেখেছিলেন।
জেনারেল বখত খান দিল্লিতে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দিল্লিতে প্রকৃত নেতৃত্ব জেনারেল বখত খানের নেতৃত্বাধীন একদল সৈন্যের হাতে ছিল, যিনি বরেলির সৈন্যদের বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়ে দিল্লিতে নিয়ে এসেছিলেন।
শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর এই বিদ্রোহের প্রতীকী নেতা হয়ে ওঠেন। বিদ্রোহীদের দ্বারা ভারতের সম্রাট হিসেবে ঘোষিত হয়ে তিনি বিশৃঙ্খলার মাঝে এক ঐক্যবদ্ধকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন। তাঁর সমর্থন এই অভ্যুত্থানকে বৈধতা দিয়েছিল, যদিও তাঁর কর্তৃত্ব মূলত প্রতীকীই ছিল, কারণ বিদ্রোহটি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।
প্রথমে একটু হতচকিত হলেও ব্রিটিশরা তাদের উন্নত অস্ত্র, প্রশিক্ষিত সৈন্যদের ( এদের মধ্যে দেশীয় সিপাহীরাও ছিল) নিয়ে বিদ্রোহকে দমন করতে নামে | এক কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্রিটিশরা ১৮৫৭ সালের হাজার হাজার বিদ্রোহীকে ফাঁসি দিয়ে অথবা কামানের গোলা মেরে উড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যে হত্যা করে । বিদ্রোহকে সমর্থন করেছে বলে মনে করা পুরো গ্রামগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে এর প্রতিশোধ নেওয়া হতো।এই অপারেশনের নাম তারা দিয়েছিলো, " The Devil's Wind” |
যেহেতু বিদ্রোহীরা মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে তাদের "বাদশাহ " ঘোষণা করেছিল, সেহেতু তার এবং তার পরিবারের উপর নেমে আসে সব থেকে নৃশংস প্রতিশোধ | ১৮৫৭ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর, হডসন দিল্লি গেটের কাছে 'খুনি দরওয়াজা'য় বাহাদুর শাহ জাফরের পুত্র মির্জা মুঘল ও মির্জা খিজির সুলতান এবং পৌত্র মির্জা আবু বখত-কে বিবস্ত্র করে ঘুরিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করেন। তার আরও 16 জন পুত্রকে ব্রিটিশরা হত্যা করে বাহাদুর শাহ জাফরকে বর্মার রেঙ্গুনে নির্বাসিত করে।
২০১৬ সালে প্রকাশিত হওয়া মৃণালিনী রাজাগোপালনের লেখা Building Histories: The Archival and Affective Lives of Five Monuments in Modern Delhi বই থেকে জানা যায়, ১৮৫৭ সালে মহাবিদ্রোহের পর। মহাবিদ্রোহের সেনারা মে মাসে দিল্লি শহর থেকে ব্রিটিশদের পুরোপুরি উৎখাত করে তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। ১৮৫৭ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ব্রিটিশরা দিল্লি পুনর্দখল করে দিল্লিবাসী প্রধানত মুসলমানদের উপর নামিয়ে আনে অত্যাচার। ব্রিটিশরা এই বিদ্রোহকে তাদের বিরুদ্ধে ‘মুসলিম ষড়যন্ত্র’ হিসাবে দেখেছিল। তারা মনে করে নিয়েছিল এ সবই সংগঠিত হয়েছে উলেমাদের নেতৃত্বে এই মসজিদগুলি থেকেই। জামা মসজিদের একজন উলেমাকে তারা হত্যা করে এবং একজনকে বন্দী। শাহজহানাবাদ (দিল্লি ) শহরের অসংখ্য মসজিদকে তারা ধ্বংস করে, যার অস্তিত্বের কোনও চিহ্নই আজ আর অবশিষ্ট নেই । শাহজাহানাবাদের যে কটি মসজিদ ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল, সেখানেও মুসলমানদের প্রবেশকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়।
The Polish Journal of Aesthetics এর ২০১৭ সালের ৪র্থ সংখ্যায় প্রকাশিত Sadia Aziz এর Mosque, Memory and State: A Case Study of Jama Masjid (India) and the Colonial State c.1857 নামক গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, মহাবিদ্রোহের পর জামা মসজিদের ক্ষেত্রে কি করা হবে? তা নিয়ে উচ্চপদস্থ বৃটিশ কর্মকর্তারা আলোচনা করে। অন্য মসজিদগুলির মতো একেও ধ্বংস করে দেওয়া বা একে গির্জায় বদলে দেওয়া অথবা ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ কলেজে রূপান্তরিত করা-সব কিছুই আলোচনায় আসে । কিন্তু শেষে, মসজিদে ধর্মীয় কার্যকলাপ বন্ধ করে, মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ইউরোপীয়ান এবং পাঞ্জাবের শিখ সৈন্যদের ব্যারাক এবং ঘোড়ার আস্তাবল হিসাবে ব্যবহার করা হতে থাকে। অনেক ঐতিহাসিকের মতে, যেহেতু জামা মসজিদ মোঘল সাম্রাজ্যের একটা প্রতীক ছিল, তাই একে ধ্বংস করে আবার নতুন করে বিদ্রোহের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় একে ধ্বংস করেনি বৃটিশরা। পাশাপিশি এই মসজিদকে ব্যারাকে পরিণত করে মোঘল সাম্রাজ্যের উপর বৃটিশদের কর্তৃত্বকে জাহির করা আর ভবিষ্যতে মুসলমানদের সাথে দর কষাকষির একটা উপকরণ হিসাবে একে রেখে দেওয়া হয়েছিল। তবে জামা মসজিদের উত্তর গেট লাগোয়া বাদশাহী চিকিৎসালয় 'দার-উল-শিফা' এবং দক্ষিণ ফটক লাগোয়া বাদশাহী কলেজ 'দার-উল-বকা' কে সম্পূর্ন ভাবে ধ্বংস করে দেয় বৃটিশরা নিজেদের কর্তৃত্বকে প্রকাশ করার জন্য ।
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ প্রধানত দেশব্যাপী ঐক্যের অভাব, ব্রিটিশদের উন্নততর সামরিক শক্তি এবং একটি ঐক্যবদ্ধ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে ব্যর্থ হয়েছিল। এটাও দেখা গিয়েছিলো যে, যারা বিদ্রোহ করেছিল, তাদের সবাই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি। অনেকেই কেবল বাড়ি ফিরে গিয়েছিল এবং কোনো পক্ষকেই সাহায্য করতে অস্বীকার করেছিল। ব্যাপক হওয়া সত্ত্বেও, বিদ্রোহটি ছিল স্থানীয়, এতে সকল শ্রেণী ও অঞ্চলের সমর্থন ছিল না এবং ব্রিটিশরা এক বছরের মধ্যেই তা দমন করে।
ব্রিটিশ সরকার ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয় এমন ব্যক্তিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে, কিন্তু সামরিক ট্রাইব্যুনালগুলো চালু ছিল এবং ১৮৫৯ সালের ৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এই দমনপীড়নের অবসান ঘটে।
অসফল হলেও এটাই ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের প্রথম স্বাধীনতার যুদ্ধ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে |
প্রকাশ: ১১-মে-২০২৬
শেষ এডিট:: 11-May-26 01:34 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/1857-great-rebellion---the-first-spark-of-the-freedom-struggle
Categories: Fact & Figures
Tags: , rebellion of 1857
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (155)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (141)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
আমরা তিমির বিলাসী নই, তিমির বিনাশী হতে চাই
- শমীক লাহিড়ী
রবীন্দ্রনাথ, ফ্যাসিবাদ ও লাল পার্টি
- ময়ূখ বিশ্বাস
ভারতে বৃটিশ শাসনের ভবিষ্যৎ ফলাফল
- কার্ল মার্কস
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে: পলিট ব্যুরো বিবৃতি
- পলিট ব্যুরো
মহম্মদ সেলিমের বিবৃতি
- মহম্মদ সেলিম

.jpg)



